মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
রাজশাহী বিভাগ

পাবনা জেলা

Pabna · ৫টি সংসদীয় আসন · ৯টি উপজেলা। প্রতিটি আসনের বর্তমান সদস্য, সংসদের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী।

আসন৫
উপজেলা৯
দল২

পাবনা জেলা পরিচিতি

পাবনা জেলা বাংলাদেশের মধ্য ভাগের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা ও প্রশাসনিক অঞ্চল। এ জেলার উত্তর-পশ্চিম কোণে নাটোর, উত্তরে সিরাজগন্জ, পূর্ব দিকে মানিকগন্জ, দক্ষিণ-পূর্বকোণে রাজবাড়ি এবং দক্ষিণ-পশ্চিমকোণে কুষ্টিয়া জেলা অবস্থিত। উপজেলার সংখ্যানুসারে পাবনা বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণিভুক্ত জেলা। পাবনা জেলা পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত। আর এই জেলার মধ্য দিয়েই বয়ে গিয়েছে ইছামতি নদী। এই জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ সেতু এর এর পাশেই লালন শাহ সেতু অবস্থিত। মজার বিষয় হলো, বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় রেলওয়ে জংশন এই ঈশ্বরদীতেই অবস্থিত। পদ্মা-যমুনা-আত্রাই-বড়াল বিধৌত এ অঞ্চল একসময় বরেন্দ্র এবং বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল।

নামকরণ

নামকরণের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ আছে। প্রত্নতাত্ত্বিক কানিংহাম অনুমান করেন যে, প্রাচীন রাজ্য পুন্ড্র বা পুন্ড্রবর্ধনের নাম থেকে পাবনা নামের উদ্ভব হয়েছে। পৌন্ড্রবর্ধনের জনপদ গঙ্গার উত্তর দিকে অবস্থিত ছিল। চলতি ভাষায় পুন্ড্রুবর্ধন বা পৌন্ড্রবর্ধন, পোনবর্ধন বা পোবাবর্ধনরূপে উচ্চারিত হতে হতে ‘পাবনা’ হয়েছে। কিছু ইতিহাসবিদের মতে, ‘পাবনা’ নামটি ‘পদুম্বা’ থেকে এসেছে।

ইতিহাস

১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ অক্টোবর স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে পাবনা স্বীকৃতি লাভ করে। ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে জেলার বেশির ভাগ অংশ রাজশাহী জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখনকার দিনে এসব এলাকায় সরকারের দায়িত্বপূর্ণ কর্মচারীদের খুব অভাব ছিল। পুলিশের অযোগ্যতা এবং জমিদারদের পক্ষ থেকে ডাকাতি ঘটনার তথ্য গোপন রাখা বা এড়িয়ে যাওয়া হতো। গ্রামাঞ্চলে ডাকাতেরা দলে দলে ঘুরে বেড়াত। চলনবিল এলাকায় জলদস্যুদের উপদ্রব চলছিল দীর্ঘ দিন ধরে। এদের প্রতিরোধ করতে ও শাসনতান্ত্রিক সুবন্দোবস্তের জন্যে কোম্পানি সরকারের মন্তব্য অনুসারে পাবনায় সামগ্রিক ভাবে ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়।

অবস্থান ও আয়তন

বাংলাদেশে অবস্থিত পাবনা জেলা রাজশাহী বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব কোণ সৃষ্টি করেছে। এটি ২৩°৪৮′ হতে ২৪°৪৭′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০২′ হতে ৮৯°৫০′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। পশ্চিমে পদ্মা নদী, নাটোর জেলা ও কুষ্টিয়া জেলা। পাবনার আমিনপুর থানার দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে এসে পদ্মা ও যমুনা নদী পরস্পর মিলিত হয়েছে।

অর্থনীতি

কৃষি প্রধান পাবনা জেলার অর্থনীতি বেশ সমৃদ্ধ। তাঁতশিল্প, হোসিয়ারি শিল্প, দুগ্ধজাত পণ্য এ জেলার ঐতিহ্যকে ধারণ করে। অর্থনৈতিক দিক থেকে ঈশ্বরদী উপজেলা বেশ সমৃদ্ধ। ঈশ্বরদীকে নিয়েই পাবনার অর্থনীতি গড়ে উঠেছে প্রচুর ছোটবড় শিল্প প্রতিষ্ঠান ও ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে। ধান, পাট, গম, পেঁয়াজ, সবজি, লিচু, আম, ঘি, চলনবিলের মাছ ইত্যাদি এ জেলার অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। এছাড়া পাবনা শহরে বিসিক শিল্প নগরী রয়েছে; যেখানে যথেষ্ট সংখ্যক শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, পাবনা জেলা · CC BY-SA 4.0

পাবনা জেলার দর্শনীয় স্থান

  • পাবনা মানসিক হাসপাতাল
  • জোড় বাংলা মন্দির
  • তাড়াশ ভবন
  • ভাঁড়ারা শাহী মসজিদ
  • হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
  • লালন শাহ সেতু
  • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  • ঈশ্বরদী বিমানবন্দর
  • নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস
  • পাবনা চিনিকল
  • ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন
  • ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল

পাবনা জেলার নদ-নদী

  • পদ্মা নদী
  • যমুনা নদী
  • ইছামতি নদী
  • আত্রাই নদী
  • বড়াল নদী
  • কাগেশ্বরী নদী
  • গুড় নদী
  • গুমানি নদী
  • চিকনাই নদী
  • বাদাই নদী
  • হুরাসাগর নদী

জেলার মানচিত্র

পাবনা জেলা

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর। ৫টি আসন; এলাকায় চাপ দিলে সেই আসনের পাতা।

আসন ও সংসদ সদস্য

পাবনা জেলা রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা, জাতীয় সংসদে যার ৫টি আসন: পাবনা-১ (সাঁথিয়া উপজেলা), পাবনা-২ (সুজানগর উপজেলা ও বেড়া উপজেলা), পাবনা-৩ (চাটমোহর,ভাংগুড়া ও ফরিদপুর উপজেলা), পাবনা-৪ (আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলা) ও পাবনা-৫ (পাবনা সদর উপজেলা)। ত্রয়োদশ সংসদে আসনগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ৩টি ও বিএনপির ২টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →