মূল বিষয়ে যান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ

সংরক্ষিত নারী আসন

সংবিধান অনুযায়ী সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত। এই আসনে সাধারণ ভোটাররা ভোট দেন না; সাধারণ আসনে জেতা দলগুলোর আনুপাতিক হারে আসনগুলো ভাগ হয়, আর নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য ভোট দিয়ে সদস্য বেছে নেন।

সংরক্ষিত আসন৫০
মোট নারী সদস্য৫৭সাধারণ আসনে ৭ জন

সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য৫০ জন

প্রশ্ন ও উত্তর

সংরক্ষিত নারী আসন কী

সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৩০০টি সাধারণ আসনের বাইরে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত থাকে। এই আসনগুলো ধরে সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।

এই আসনে ভোট দেন কারা

সাধারণ ভোটাররা নন। সাধারণ আসনে নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যই এই আসনের নির্বাচকমণ্ডলী। দলগুলো সাধারণ আসনে যত ভাগ আসন পেয়েছে, সেই আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত আসন ভাগ হয়। তাই ব্যালটে এই সদস্যদের নাম থাকে না।

একজন নারী কি সাধারণ আসনেও দাঁড়াতে পারেন

পারেন। সংরক্ষিত আসন বাড়তি সুযোগ, সীমা নয়। এই সংসদে ৭ জন নারী সাধারণ আসনে সরাসরি ভোটে জিতে এসেছেন।

সংরক্ষিত আসনের সদস্যের দায়িত্ব কি আলাদা

না। সংসদে ভোট দেওয়া, বিল আনা, প্রশ্ন করা, কমিটিতে বসা, সবই সাধারণ আসনের সদস্যদের মতোই। পার্থক্য শুধু নির্বাচিত হওয়ার পদ্ধতিতে, আর নির্দিষ্ট কোনো নির্বাচনী এলাকা না থাকায়।

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, ৬৫ অনুচ্ছেদ; সদস্যদের নাম ও দল বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের তথ্য থেকে। parliament.gov.bd

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →