মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী · সংসদ সদস্য নন

পরিচিতি

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ (ইয়াছিন) টেকনোক্র্যাট কোটায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার সময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাঁর ছিল; ২৫ মার্চ থেকে তিনি এই দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। শিল্পোদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারক আমিন উর রশিদ লালমাই গ্রুপের চেয়ারম্যান। তিনি সংসদ সদস্য নন।

১৯৫৮ সালের ২৩ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলায় তাঁর জন্ম; বাবা আলী মিয়া, মা আমেনা বেগম।

দেশের জুতা শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে তিনি লালমাই ফুটওয়্যার লিমিটেড, আরকু ইন্ডাস্ট্রিজ ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড, বেবি নিউট্রিশন লিমিটেড, লালমাই ফুড প্রোডাক্টস, অর্গানিক নিউট্রিশন লিমিটেড ও আরকু ফুডস লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলো ১২ বার জাতীয় রপ্তানি ট্রফি (স্বর্ণ ও রৌপ্য) পেয়েছে এবং তিনি ১৩ বার বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) নির্বাচিত হয়েছেন। কুমিল্লায় বড়পাড়া আমেনা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন।

১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, ২০১০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত কৃষি বিষয়ক যুগ্ম সম্পাদক এবং ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ২০২২ সালের ৩০ মে থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আহ্বায়ক ছিলেন। ২০২৫ সালের ১২ মার্চ দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুরোধে কুমিল্লা-৬ আসনে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ান এবং দলীয় প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর পক্ষে প্রচারণা চালান। তাঁর স্ত্রী মোসাম্মৎ তাহমিনা আক্তার; দুই ছেলে ইফতেখার রশিদ ও এনায়েত রশিদ।

সূত্র: bssnews.net, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি), tbsnews.net; দায়িত্বের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা। ভুল দেখলে জানান।

পদমর্যাদাটেকনোক্র্যাট মন্ত্রী
পেশাশিল্পোদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারক
জন্মস্থানকুমিল্লা

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →