মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

মোহাম্মদ আমিনুল হক

টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী · সংসদ সদস্য নন

পরিচিতি

মোহাম্মদ আমিনুল হক টেকনোক্র্যাট কোটায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী; ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি শপথ নেন। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক আমিনুল সংসদ সদস্য না হয়ে সরাসরি মন্ত্রিসভায় আসা প্রথম সাবেক ক্রীড়াবিদ। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক। তিনি সংসদ সদস্য নন।

১৯৮০ সালের ৫ অক্টোবর ভোলায় তাঁর জন্ম; বেড়ে ওঠেন ঢাকার মিরপুরে। বড় ভাই মঈনুল হকের দেখাদেখি ফুটবলে আগ্রহ জন্মায়। পাইওনিয়ার লিগে এমএসপিসি সিটি ক্লাবের হয়ে খেলা শুরু করেন এবং প্রথম নয় ম্যাচে কোনো গোল খাননি।

মোহামেডান, ফরাশগঞ্জ, আবাহনী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ব্রাদার্স ইউনিয়ন, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ও বিজেএমসির হয়ে খেলেছেন; প্রিমিয়ার লিগ, একাধিক ফেডারেশন কাপ ও ২০০৯ সালের সুপার কাপ জিতেছেন, সুপার কাপে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কারও পান। ১৯৯৮ সালে কাতারের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জাতীয় দলে অভিষেক হয় এবং দীর্ঘদিন দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে ফাইনালে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সেভ ভূমিকা রাখে; ওই টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক নির্বাচিত হন। ২০১০ সালের সাউথ এশিয়ান গেমসে অধিনায়ক হিসেবে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে একটিও গোল না খেয়ে স্বর্ণপদক এনে দেন। জাতীয় দলের সাবেক কোচ জর্জ কোটান তাঁকে নিজের দেখা অন্যতম সেরা গোলরক্ষক বলেছিলেন। ২০১৩–১৪ মৌসুম শেষে ১৭ বছরের পেশাদার খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানেন।

ফুটবল থেকে অবসরের পর ২০১৪ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তৃণমূল থেকে নতুন ক্রীড়া আন্দোলন গড়ার লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ ও প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম গড়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (ইংরেজি), উইকিপিডিয়া (বাংলা), tbsnews.net, bssnews.net, thefinancialexpress.com.bd, tbsnews.net; দায়িত্বের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা। ভুল দেখলে জানান।

পদমর্যাদাটেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী
দলীয় পদকেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক
পেশাসাবেক ফুটবলার (গোলরক্ষক)
জন্মস্থানভোলা

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →