মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ

মন্ত্রী পদমর্যাদা · সংসদ সদস্য নন

পরিচিতি

মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা। সাবেক সচিব জবিউল্লাহ প্রায় সাড়ে তিন দশক প্রশাসনে কাজ করে ২০০৮ সালে অবসরে যান; ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট থেকে তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি সংসদ সদস্য নন।

১৯৫০ সালে বর্তমান লক্ষ্মীপুর জেলার (তৎকালীন নোয়াখালী) কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরকাদিরা গ্রামে তাঁর জন্ম; বাবা সুজাউদ্দিন আহমেদ। ১৯৬৫ সালে কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসিতে মেধা তালিকায় দ্বাদশ এবং ১৯৬৭ সালে এইচএসসিতে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে ১৯৭০ সালে বিএ (সম্মান), ১৯৭৩ সালে এমএ এবং পরে এলএলবি ডিগ্রি নেন।

১৯৭৩ সালে চৌমুহনী কলেজে ইংরেজির প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত নোয়াখালী সরকারি কলেজে পড়ান। স্বাধীনতার পর প্রথম নিয়মিত সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামে সহকারী কমিশনার হিসেবে প্রশাসনে যোগ দেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ভূঞাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (১৯৮৬) এবং ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ছিলেন; যোগাযোগ, স্বরাষ্ট্র, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন। নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং ২০০৫–০৬ সালে ইডকল ও আইআইএফসির চেয়ারম্যান ছিলেন। সচিব হিসেবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

অবসরের পর বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হন এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত; ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত এবং ২০২৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের (আইসিএপিপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত হন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি); দায়িত্বের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা। ভুল দেখলে জানান।

পদমর্যাদামন্ত্রী পদমর্যাদা
দলীয় পদজাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য
পেশাসাবেক সচিব
শিক্ষাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ইংরেজি সাহিত্যে বিএ সম্মান ১৯৭০, এমএ ১৯৭৩এলএলবি)
জন্মস্থানদক্ষিণ চরকাদিরা, কমলনগর, লক্ষ্মীপুর

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →