মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ড. খলিলুর রহমান

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী · সংসদ সদস্য নন

পরিচিতি

ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি। ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন; সংসদ সদস্য নন। ২০২৬ সালের ২ জুন তিনি সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ৮ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেন। ১৯৮৬–৮৭ সালে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর পর তিনিই দ্বিতীয় বাংলাদেশি, যিনি এই পদে এলেন।

১৯৫৪ সালের ১ এপ্রিল ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় তাঁর জন্ম। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন, প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে। ১৯৭৭ সালের বিসিএস পরীক্ষায়ও প্রথম হন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্য ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি থেকে আইন ও কূটনীতিতে স্নাতকোত্তর এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৯ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগ দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে থাকার সময় সাধারণ পরিষদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মুখপাত্র ছিলেন। এরপর জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনের (আঙ্কটাড) নিউইয়র্ক কার্যালয়ের প্রধান ও জেনেভায় বিশেষ উপদেষ্টা, এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের নির্বাহী কার্যালয়ে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও উন্নয়ন বিষয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০০১ সালের ব্রাসেলস সম্মেলনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর কর্মসূচি, যাতে তাদের পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত বাজারসুবিধার বিধান ছিল, তা তৈরিতে তাঁর ভূমিকা ছিল। ২০১২ সালে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত, স্থলবেষ্টিত ও ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল দেশবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের কার্যালয়ে নীতি উন্নয়ন ও সমন্বয় শাখার প্রধান হন।

২০০১ সালে কিছুদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমানের একান্ত সচিব ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি রোহিঙ্গা সংকট ও অগ্রাধিকার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ নিযুক্ত হন এবং ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং এর ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি); দায়িত্বের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা। ভুল দেখলে জানান।

পদমর্যাদাটেকনোক্র্যাট মন্ত্রী
পেশাকূটনীতিক ও অর্থনীতিবিদ
শিক্ষাঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক)ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর)দ্য ফ্লেচার স্কুল, টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র (আইন ও কূটনীতিতে স্নাতকোত্তর)হার্ভার্ড কেনেডি স্কুল, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় (অর্থনীতিতে পিএইচডি)
জন্মস্থাননবাবগঞ্জ, ঢাকা

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →