মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
মাহদী আমিন
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

মাহদী আমিন

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা · সংসদ সদস্য নন

পরিচিতি

মাহদী আমিন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র। ২০২৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিষয়ক দায়িত্বে। কেমব্রিজে পড়া এই নীতি-গবেষক সংসদ সদস্য নন।

ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে যুক্তরাজ্যের মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি নেন এবং শ্রেণিতে প্রথম হন। লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে পাবলিক পলিসির রাজনৈতিক অর্থনীতিতে সার্টিফিকেট নেন এবং সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের বারুক কলেজে বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নেন। ২০১০ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আধুনিক দক্ষিণ এশীয় অধ্যয়নে এমফিল ডিগ্রি নেন; স্যার ক্রিস্টোফার বেইলির তত্ত্বাবধানে তাঁর গবেষণা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার সরকারি নীতিনির্ধারণে প্রযুক্তির সমন্বয় নিয়ে। কেমব্রিজে বৈদ্যুতিক যানবাহন শিল্প ও সবুজ প্রযুক্তি নিয়ে ডক্টরাল গবেষণা করেছেন।

তিনি থিংক ট্যাংক ‘বাংলাদেশ পলিসি ফোরাম কেমব্রিজ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি; যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফিনল্যান্ড ও বাংলাদেশে ফোরামটির সহযোগী শাখা আছে।

বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শিক্ষা ও গবেষণা উপদেষ্টা ছিলেন এবং ২০২৪ সালে দলের বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হন। ২০২৬ সালের নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হিসেবে গুলশানে দলের নির্বাচনী কার্যালয় থেকে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিং করেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (বাংলা); দায়িত্বের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা। ভুল দেখলে জানান।

পদমর্যাদাপ্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা
শিক্ষাধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (মাধ্যমিক)ঢাকা কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক)মিডলসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য (ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক)লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (সার্টিফিকেট)কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় (আধুনিক দক্ষিণ এশীয় অধ্যয়নে এমফিল, ২০১০)

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →