মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
রুহুল কবির রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

রুহুল কবির রিজভী

মন্ত্রী পদমর্যাদা · সংসদ সদস্য নন

পরিচিতি

রুহুল কবির রিজভী মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা; ২০২৬ সালের ৪ মার্চ থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাঁর। আইনজীবী ও দীর্ঘদিনের দলীয় মুখপাত্র রিজভী ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি সংসদ সদস্য নন।

১৯৬৫ সালের ৭ জানুয়ারি ঢাকায় তাঁর জন্ম; পৈতৃক নিবাস কুড়িগ্রাম। বগুড়া জিলা স্কুল, কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও বগুড়া বাংলা স্কুলে পড়েছেন; এরপর রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা এবং ইতিহাস, দুই বিষয়ে এমএ এবং আইনে স্নাতক ডিগ্রি নেন।

উচ্চমাধ্যমিকের পর বামপন্থী বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে আসেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর তাতে যোগ দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদক হন এবং পরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি নির্বাচিত হন।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন এবং দীর্ঘদিন দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব ছিলেন। ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন এবং ২০ আগস্ট মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান। তাঁর স্ত্রী আঞ্জুমান আরা।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি); দায়িত্বের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা। ভুল দেখলে জানান।

পদমর্যাদামন্ত্রী পদমর্যাদা
দলীয় পদভারপ্রাপ্ত মহাসচিব
পেশাআইনজীবী
শিক্ষারাজশাহী কলেজরাজশাহী সরকারি সিটি কলেজরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যায় এমএ, ইতিহাসে এমএ, আইনে স্নাতক)
জন্মস্থানঢাকা (পৈতৃক নিবাস কুড়িগ্রাম)

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →