মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
ডা. জাহেদ উর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ডা. জাহেদ উর রহমান

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা · সংসদ সদস্য নন

পরিচিতি

ডা. জাহেদ উর রহমান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা; ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি নিয়োগ পান এবং ১২ মার্চ থেকে তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাঁর। পেশায় চিকিৎসক জাহেদ উর রহমান কলাম লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে পরিচিত; অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য নন।

তাঁর পৈতৃক নিবাস নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কোটরা মহব্বতপুর গ্রামে। বাবার চাকরির সূত্রে শৈশবের বড় অংশ কেটেছে কর্ণফুলী নদীর তীরে কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনায়। কর্ণফুলী পেপার মিলস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯১ সালে মাধ্যমিক এবং চট্টগ্রামের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসীন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ ডিগ্রি নেন।

চিকিৎসা পেশার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন। প্রিন্ট ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত কলাম লেখেন; গণতন্ত্র, নির্বাচন, রাজনৈতিক সহিংসতা, গুম ও মানবাধিকার তাঁর লেখা ও বিশ্লেষণের প্রধান বিষয়। ২০২৫–২৬ সালে প্রথম আলোতে নির্বাচন ও রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে তাঁর বিশ্লেষণ আলোচিত হয়। ডয়চে ভেলে, যমুনা টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মাধ্যমের আলোচনায় অংশ নেন এবং ‘Zahed’s Take’ নামে ইউটিউব ও ফেসবুক চ্যানেলে সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করেন। তাঁর লেখা বই ‘জনপ্রিয়তম লেখকের মৃত্যু বিক্রির গল্প’।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি); দায়িত্বের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা। ভুল দেখলে জানান।

পদমর্যাদাপ্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা
পেশাচিকিৎসক; কলাম লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
শিক্ষাকর্ণফুলী পেপার মিলস উচ্চ বিদ্যালয় (মাধ্যমিক, ১৯৯১)সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসীন কলেজ, চট্টগ্রাম (উচ্চমাধ্যমিক)ঢাকা মেডিকেল কলেজ (এমবিবিএস)আইবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (এমবিএ)

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →