মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
বরিশাল বিভাগ

বরগুনা জেলা

Barguna · ২টি সংসদীয় আসন · ৬টি উপজেলা। প্রতিটি আসনের বর্তমান সদস্য, সংসদের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী।

আসন২
উপজেলা৬
দল২

বরগুনা জেলা পরিচিতি

বরগুনা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ বন্দর, প্রশাসনিক অঞ্চল ও সুস্বাদু ইলিশের জেলা, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় মৎস্য কেন্দ্র, প্রতিবছর এ জেলা থেকে প্রচুর মাছ দেশে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর-এর আঘাতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো এই জেলা। ১৯৮৪ সালে বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার ৬টি উপজেলা নিয়ে বরগুনা জেলার যাত্রা শুরু হয়। অসংখ্য পর্যটন কেন্দ্র ও সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে বরগুনা এখন অনেক উপরে।

ইতিহাস

১৯৬৯ সালে বরগুনা পটুয়াখালী জেলার অধীনে একটি মহকুমা হয়। ১৫ ফাল্গুন ১৩৮৯ বঙ্গাব্দে দেশের প্রায় সকল মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হলে বরগুনা জেলায় পরিণত হয়। বরগুনা নামের ইতিহাসের সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য না পাওয়া গেলেও জানা যায় যে, উত্তরাঞ্চলের কাঠ ব্যবসায়ীরা এতদ্ঞ্চলে কাঠ নিতে এসে খরস্রোতা খাকদোন নদী অতিক্রম করতে গিয়ে অনুকূল প্রবাহ বা বড় গোনের জন্য এখানে অপেক্ষা করত বলে এ স্থানের নাম বড় গোনা। কারো মতে আবার স্রোতের বিপরীতে গুন টেনে নৌকা অতিক্রম করতে হতো বলে এ স্থানের নাম বরগুনা। কেউ কেউ বলেন, বরগুনা নামক কোন প্রতাপশালী রাখাইন অধিবাসীর নামানুসারে বরগুনা।

অবস্থান ও আয়তন

এর উত্তরে ঝালকাঠি জেলা, বরিশাল জেলা, পিরোজপুর জেলা ও পটুয়াখালী জেলা, দক্ষিণে পটুয়াখালী জেলা ও বঙ্গোপসাগর, পূর্বে পটুয়াখালী জেলা, পশ্চিমে পিরোজপুর জেলা ও বাগেরহাট জেলা। ৯ ওয়ার্ড ও ১৮ মহল্লা ও বেতাগী উপজেলা।

জনসংখ্যা

২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বরগুনা জেলার মোট জনসংখ্যা ১৮,৯২,৭৮১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯,৩৭,৪১৩ জন এবং মহিলা ৯,৫৫,৩৬৮ জন।

অর্থনীতি

বরগুনা জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর ও মৎস নির্ভর। উৎপাদিত প্রধান শস্য ধান, তরমুজ, চিনাবাদাম,সরিষা,সূর্যমুখী ও বিভিন্ন ধরনের ডাল। এছাড়াও বরগুনার কয়েকটি উপজেলায় তরমুজের ফলন ভালো হয়। একসময় পাট চাষ হত, কিন্তু তা এ অঞ্চলে অর্থকারী ফসল হিসেবে জনপ্রিয়তা হারিয়ে ফেলে। উপকূলবর্তী জেলা হওয়ায় বরগুনা জেলার অনেকেই জেলের কাজ করে। এছাড়াও বরগুনা জেলার কাঠমিস্ত্রীরা নৌকা সহ উপকূলীয় মানুষের প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী উৎপাদনে বেশ জনপ্রিয়।

সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য

এক সময়ে সমৃদ্ধ উপকূলীয় অঞ্চলে ছিল মাঠ ভরা ধান, নদী-সাগরে মাছ, গরু-মহিষের দুধ, তাঁতের শাড়ি, ঘানির তৈল, মাড়াই কলে আখের গুড়সহ বিচিত্র প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যে ভরপুর ছিল এই অঞ্চল। তবে অভাব অভিযোগ না থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি ছিল নিত্যসঙ্গী। অধিকাংশ মানুষের মধ্যে ছিল লোক সংস্কৃতিরচর্চা। আর এই লোক সংস্কৃতির বিষয়বস্ত্ত ছিল সুখ-সমৃদ্ধি আর প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কেন্দ্র করে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, বরগুনা জেলা · CC BY-SA 4.0

বরগুনা জেলার দর্শনীয় স্থান

  • বেতাগীতে বিবি চিনি মসজিদ
  • তালতলীর বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ একাডেমী
  • পাথরঘাটার হড়িণঘাটার লালদিয়া সমুদ্রসৈকত
  • সোনাকাটা সমুদ্র সৈকত ও সোনাকাটা ইকোপার্ক
  • ফাতরার বন
  • বিহঙ্গ দ্বীপ বা ধানসিড় চর
  • শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত, নলবুনিয়া, তালতলী
  • হরিনঘাটা পাথরঘাটা
  • ডিসি পয়েন্ট সমুদ্র সৈকত তাকতলী
  • সার্কিট হাউস ময়দান বরগুনা
  • বরগুনা মাছের স্ট্যাচু ডিসি কোর্ট
  • বরগুনা মৎস্য কেন্দ্র

বরগুনা জেলার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • শাহজাদা আবদুল মালেক খান · রাজনীতিবিদ
  • মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান · উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  • মোশাররফ হোসেন · বীর মুক্তিযোদ্ধা
  • হুমায়ুন কবির হিরু · রাজনীতিবিদ
  • জাফরুল হাসান ফরহাদ · রাজনীতিবিদ
  • ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু · রাজনীতিবিদ
  • জাহাঙ্গীর কবির · রাজনীতিবিদ
  • আবদুর রহমান খোকন · রাজনীতিবিদ
  • দেলোয়ার হোসেন · রাজনীতিবিদ|
  • সৈয়দ রহমাতুর রব ইরতিজা আহসান · রাজনীতিবিদ
  • নুরুল ইসলাম মনি · রাজনীতিবিদ
  • গোলাম সরোয়ার হিরু · রাজনীতিবিদ

জেলার মানচিত্র

বরগুনা জেলা

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর। ২টি আসন; এলাকায় চাপ দিলে সেই আসনের পাতা।

আসন ও সংসদ সদস্য

বরগুনা জেলা বরিশাল বিভাগের একটি জেলা, জাতীয় সংসদে যার ২টি আসন: বরগুনা-১ (বরগুনা সদর,আমতলী ও তালতলি উপজেলা) ও বরগুনা-২ (বামনা উপজেলা,পাথরঘাটা ও বেতাগী উপজেলা)। ত্রয়োদশ সংসদে আসনগুলোর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের ১টি ও বিএনপির ১টি। দ্বাদশ সংসদে (২০২৪) এই আসনগুলো ছিল স্বতন্ত্র ১টি ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ১টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →