মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
নূরুল ইসলাম মনি

নূরুল ইসলাম মনি

Nurul Islam Moni

বর্তমান সদস্য, ত্রয়োদশ সংসদচিফ হুইপমোট ৪ বার নির্বাচিত

সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, মন্ত্রিসভা

পরিচিতি

নূরুল ইসলাম মনি বরগুনা-২ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভাইস চেয়ারম্যান। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি, নির্বাচনী ফলাফল, আগের মেয়াদ, সংসদীয় কমিটি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।

নূরুল ইসলাম মনি (Nurul Islam Moni) বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের সংসদ সদস্য এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এই রাজনীতিক একই আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন: ১৯৮৮, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০২৬ সালে।

প্রথম দুবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন, পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলের প্রার্থী হিসেবে আরও দুবার নির্বাচিত হন।

শৈশব, পরিবার ও শিক্ষা

১৯৫৫ সালের ২৩ মার্চ বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার মনিপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। বাবা মাজহার উদ্দিন, মা আম্বিয়া খাতুন। ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম (জামাল) পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

১৯৭২ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (University of Dhaka) পড়াশোনা করেন। সেখান থেকে ১৯৭৫ সালে বিএসসি এবং ১৯৭৬ সালে প্রথম শ্রেণিতে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক জীবন

১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রথমবার বরগুনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য হন। এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯০ সালে সেই সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৯,৬১৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন; আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম কবির পান ১৩,৭৬৪ ভোট। এরপর তিনি বিএনপিতে যোগ দেন এবং বরগুনা জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।

২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ৪৪,০১৪ ভোট পেয়ে তিনি তৃতীয়বার সংসদ সদস্য হন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মো. গোলাম সরোয়ার হিরু পান ২৪,৭৭২ ভোট। সংসদ সদস্য হিসেবে এই মেয়াদ চলে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনেও তিনি বরগুনা-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পান।

২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে পাথরঘাটায় আসার পথে রায়হানপুরে তাঁর বহরে হামলা হয়; এতে বিএনপির পঞ্চাশের বেশি নেতা-কর্মী আহত হন। দলে তিনি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

২০২৬ নির্বাচন

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসনে নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন; নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ৩,৩৭,৭৪৪ জন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ৯০,৬৪৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ড. সুলতান আহমেদ (Dr Sultan Ahmed) পান ৮৫,২৪৭ ভোট; জয়ের ব্যবধান ৫,৩৯৬ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মিজানুর রহমান পান ১৬,৪৬৩ ভোট। এই জয়ে প্রায় পঁচিশ বছর পর তিনি চতুর্থবারের মতো সংসদে ফেরেন। ওই নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের ১৮টিতে বিএনপি ও এর মিত্র দলগুলোর প্রার্থীরা জয়ী হন।

উল্লেখযোগ্য কাজ ও অবদান

অষ্টম জাতীয় সংসদে (২০০১–২০০৬) তিনি বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন। একই সংসদে প্যানেল স্পিকার হিসেবে তিনি অধিবেশনে সভাপতিত্বের দায়িত্বও পালন করেন।

সূত্র: prothomalo.com ১, en.prothomalo.com, khoborsangjog.com, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, উইকিপিডিয়া (বাংলা), prothomalo.com ২, tbsnews.net, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২। ভুল দেখলে জানান।

জন্ম২৩ মার্চ ১৯৫৫, ৭১ বছর
জন্মস্থানমনিপুর, পাথরঘাটা, বরগুনা
লিঙ্গপুরুষ
শিক্ষাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসসি ও প্রথম শ্রেণিতে এমএসসি)
পেশাসংসদ সদস্য
পিতামাজহার উদ্দিন
মাতাআম্বিয়া খাতুন
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ৪ বার

বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রম

২০২৬ সালের ২ মার্চ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিযুক্ত হন। পদটি মন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন। তাঁর আগে বরিশাল বিভাগ থেকে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (Abul Hasanat Abdullah) ও এ এস এম ফিরোজ (A S M Feroz) এই পদে ছিলেন।

চিফ হুইপ সংসদে সরকারি দলের প্রধান সমন্বয়ক; সংসদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চালানো এবং দলীয় সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি, ভোট ও শৃঙ্খলা সমন্বয় করা তাঁর কাজ। ১৫ এপ্রিল অধিবেশনের বিরতিতে তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের কোনো বিকল্প নেই; বিরোধী দলের সঙ্গে মতভেদ মূলত সংশোধনের পদ্ধতি নিয়ে, আর ঐকমত্য খুব দূরে নয়। ২ জুলাই বাজেট অধিবেশন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বিরোধী দল বরাদ্দের চেয়ে বেশি, প্রায় ৩১ শতাংশ সময় বক্তব্য দিয়েছে এবং সংসদের নৈশভোজে মাথাপিছু ব্যয় ৯০০ থেকে কমিয়ে ১৫০ টাকা করা হয়েছে। ২০ আগস্ট সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর তিনি জানান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (Mirza Fakhrul Islam Alamgir) ২৫৫ ভোট এবং কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছেন; তিনি বলেন, ফল মেনে নেওয়া ও পরস্পরকে অভিনন্দন জানানোর সংস্কৃতি ফিরে আসছে।

সূত্র: khoborsangjog.com, ittefaq.com.bd, bdnews24.com, bssnews.net। ভুল দেখলে জানান।

নির্বাচনী এলাকা

বরগুনা-২

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর।

নির্বাচনী এলাকার পরিচিতি

বরগুনা-২ বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলার একটি সংসদীয় আসন, জাতীয় সংসদের ১১০ নম্বর আসন। নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের সীমানা নির্ধারণ অনুযায়ী আসনটি গঠিত (ক) বামনা উপজেলা, (খ) পাথরঘাটা উপজেলা এবং (গ) বেতাগী উপজেলা নিয়ে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে এখানে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ৩,৩৭,৭৪৪ জন।

পাথরঘাটা (আয়তন ৩৮৭.৩৬ বর্গকিলোমিটার) জেলার দক্ষিণতম উপকূলীয় উপজেলা; বিষখালী ও বলেশ্বর নদী এখানে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। ২০২২ সালের জনশুমারিতে জনসংখ্যা ১,৭৭,৮৯৩। কৃষির পাশাপাশি সামুদ্রিক মাছ আহরণ অর্থনীতির বড় ভিত্তি; বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও পাইকারি মাছবাজার এখানে। টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের অংশ হরিণঘাটা বন, লালদিয়া সমুদ্রসৈকত ও বলেশ্বর নদীর বিহঙ্গ দ্বীপ পরিচিত স্থান।

বামনা (আয়তন ১০১.০৫ বর্গকিলোমিটার) জেলার পশ্চিমাংশে; উত্তরে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া ও পশ্চিমে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা। এর চারটি ইউনিয়ন: বুকাবুনিয়া, বামনা, রামনা ও ডৌয়াতলা। ২০২২ সালে জনসংখ্যা ৭৮,৯৪২। কৃষিই প্রধান পেশা, সঙ্গে সেবা ও ব্যবসা। সরকারি বামনা কলেজ এখানকার উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বেতাগী (আয়তন ১৬৭.৭৫ বর্গকিলোমিটার) বিষখালী নদীর তীরে, একটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ২০২২ সালে জনসংখ্যা ১,২৫,৪৭২। ধান, মাছ, কলা ও মৌসুমি সবজি এখানকার প্রধান পণ্য; চালকল ও করাতকলসহ ক্ষুদ্র শিল্পও আছে। বিবিচিনি শাহী মসজিদ ও মোকামিয়া দরবার শরিফ পরিচিত স্থান।

আসনটি ১৯৮৪ সালে গঠিত হয় এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে এর সীমানা নতুন করে নির্ধারণ করা হয়। ১৯৯১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী নূরুল ইসলাম মনি, ১৯৯৬ সালের জুনে ইসলামী ঐক্যজোটের গোলাম সরোয়ার হিরু এবং ২০০১ সালে বিএনপির নূরুল ইসলাম মনি এখানে জয়ী হন। ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল; ২০২৬ সালে বিএনপি আবার জয় পায়।

সূত্র: tbsnews.net, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ১, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ২, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৩, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ৩, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৪, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ৪। ভুল দেখলে জানান।

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬বরগুনা-২বর্তমান মেয়াদBNP
অষ্টম সংসদ, ২০০১বরগুনা-২BARGUNA-2BNP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন; আগের ৩টি মেয়াদের মধ্যে ১টির বিস্তারিত এখানে আছে। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬প্রার্থীদের মোট ১,৯৪,৬২২ ভোট
  1. নূরুল ইসলাম মনিBNPবিজয়ী৯০,৬৪৩৪৬.৬%
  2. Dr Sultan AhmedBJEI৮৫,২৪৭৪৩.৮%
  3. Md Mizanur RahmanIAB১৬,৪৬৩৮.৫%
  4. Abdul Latif FarajiJP(ERSHAD)১,২৪৮০.৬%
  5. Md. Rashed Ud ZamanInd২৯৮০.২%
  6. Md Najes AfrozeNDM২৯৪০.২%
  7. Md Sabbir AhmedBangladesh Congress২১৯০.১%
  8. Md Kamruzzaman LitonBJP১১৫০.১%
  9. Md SolaimanNPP৯৫০.০%
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। উইকিপিডিয়াতেও বিজয়ীর ভোট একই।মূল পাতা

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন(৩)

জনাব নূরুল ইসলাম মনি, এমপি১৮ অক্টোবর ২০২৬, সরকারি আদেশPDF
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নূরুল ইসলাম মনি, এমপি-র ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত মালয়েশিয়া সফরের অনুমোদন জ্ঞাপন।১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সরকারি আদেশPDF
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নূরুল ইসলাম মনি, এমপি-র ১৪ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব সফরের অনুমোদন জ্ঞাপন।১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সরকারি আদেশPDF

আসন: বরগুনা-২

আসনের পাতা →
এলাকা

(ক)বামনা উপজেলা,(খ) পাথরঘাটা এবং(গ) বেতাগী উপজেলা

সংসদীয় কমিটি(১০)

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

সম্পাদকের যাচাই করা ১৫টি খবর

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →