মূল বিষয়ে যান
সর্বশেষ
আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী

আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী

Abul Kalam Azad Siddique

বর্তমান সদস্য, ত্রয়োদশ সংসদমোট বার নির্বাচিত

সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মন্ত্রিসভা

পরিচিতি

আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৭ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সংসদ সদস্য। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি, নির্বাচনী ফলাফল, আগের মেয়াদ, সংসদীয় কমিটি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।

তিনি ৩১ অক্টোবর ১৯৬৪ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।

এ নিয়ে তিনি মোট ৩ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি ১,৪১,২৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৭০,২১৩ ভোট বেশি (দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের হিসাব অনুযায়ী)। তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি।

এই পরিচিতি এই পাতার তথ্য থেকে সাজানো: সংসদের সদস্য তালিকা এবং প্রকাশিত নির্বাচনী ফল। নিজস্ব কোনো মূল্যায়ন এতে নেই।

জন্ম৩১ অক্টোবর ১৯৬৪, ৬১ বছর
লিঙ্গপুরুষ
পেশাব‌্যবসা
পিতাআজগর আলী সিদ্দিকী
মাতাজমেলা বেগম
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ৩ বার

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬টাঙ্গাইল-৭বর্তমান মেয়াদBNP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ৩ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন; আগের ২টি মেয়াদের বিস্তারিত সংসদের তথ্যভান্ডারে পাওয়া যায়নি। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬প্রার্থীদের মোট ২,১৩,৭৮৫ ভোট
  1. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীBNPবিজয়ী১,৪১,২৫৩৬৬.১%
  2. Mohammad Abdullah Ebneh Abul HossainBJEI৭১,০৪০৩৩.২%
  3. Md. Tofazzal HossainBRP১,৪৯২০.৭%
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি।মূল পাতা

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন()

জনাব আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী১৮ মে ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF

আসন: টাঙ্গাইল-৭

আসনের পাতা →
এলাকা

মির্জাপুর উপজেলা

সংসদীয় কমিটি()

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

কোথা থেকে তথ্য আসে

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট ও সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন, নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য; ভোটের ফল ও দলের ইতিহাসের মতো বাকি তথ্যের সূত্র প্রতিটি পাতায় লেখা। কোনো তথ্য অনুমান করে বসানো হয় না।

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতিদিন। সংসদের নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি ও কমিটির পরিবর্তন প্রকাশের পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম আরও ঘন ঘন।

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়।