
মারদিয়া মমতাজ
Mardia Mumtaz
সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, মন্ত্রিসভা
পরিচিতি
মারদিয়া মমতাজ সংরক্ষিত নারী আসন (মহিলা আসন-৪৪) থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি, নির্বাচনী ফলাফল, আগের মেয়াদ, সংসদীয় কমিটি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।
মারদিয়া মমতাজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৪ এর সংসদ সদস্য। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাঁকে এই আসনে মনোনয়ন দেয়। প্রকৌশলী, শিক্ষক ও অনুবাদক হিসেবে তিনি পরিচিত।
ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজের জন্ম ১৯৮৫ সালের ১৫ মার্চ। তাঁর পিতা প্রকৌশলী বি. জেড. এম. মোমতাজুল করিম এবং মাতা সালেহা মোমতাজ। তাঁর আদি নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।
তিনি ঢাকার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পুরকৌশলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। এর আগে তিনি মেগাসিটি বিল্ডার্সে স্ট্রাকচারাল ডিজাইন কনসালট্যান্ট এবং স্ট্রাকচারাল ও সিসমিক ফিটনেস অডিটর হিসেবে কাজ করেছেন। অনুবাদক হিসেবে তিনি 'আল মুহাদ্দিসাত' ও 'রিভাইভ ইয়োর হার্ট' গ্রন্থ দুটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন।
অল্প বয়স থেকেই তিনি ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত সংগঠনটির বুয়েট শাখার সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালে পড়াশোনা শেষে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন এবং ২০১৭ সালে রুকন হন। দলের ঢাকা মহানগর শাখার আইটি ও প্রকৌশল বিভাগে তিনি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জামায়াতের মহিলা বিভাগের সদস্য এবং নারী অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য।
২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য যে ১৩ জনের নাম ঘোষণা করে, মারদিয়া মমতাজ তাঁদের একজন। সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্ধারিত এই আসনে একক প্রার্থী হওয়ায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন এবং ৩০ এপ্রিল ২০২৬ নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে।
সূত্র: উইকিপিডিয়া (ইংরেজি), উইকিপিডিয়া (বাংলা), prothomalo.com, ajkerpatrika.com, bangla.bdnews24.com। ভুল দেখলে জানান।
সংসদে মেয়াদ
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ১ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।
সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন
সংসদীয় কমিটি(১)
সংবাদ ও ভিডিও
সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…
সম্পাদকের যাচাই করা ১টি খবর