মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
খুলনা বিভাগ

ঝিনাইদহ জেলা

Jhenaidah · ৪টি সংসদীয় আসন · ৬টি উপজেলা। প্রতিটি আসনের বর্তমান সদস্য, সংসদের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী।

আসন৪
উপজেলা৬
দল২

ঝিনাইদহ জেলা পরিচিতি

ঝিনাইদহ জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

নামকরণ

প্রাচীনকালে বর্তমান ঝিনাইদহের উত্তর পশ্চিম দিকে নবগঙ্গা নদীর ধারে ঝিনুক কুড়ানো শ্রমিকের বসতি গড়ে ওঠে বলে জনশ্রুতি আছে। সে সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতা থেকে ব্যবসায়ীরা ঝিনুকের মুক্তা সংগ্রহের জন্যে এখানে ঝিনুক কিনতে আসতো। সে সময় ঝিনুক প্রাপ্তির এই স্থানটিকে ঝিনুকদহ বলা হতো। সে সময় ঝিনুক থেকে মুক্তা সংগ্রহের মাধ্যমে এবং ঝিনুক পুড়িয়ে চুন তৈরি এবং তা বিক্রি করে মানুষ অর্থ উপার্জন করতো।

ইতিহাস

ঝিনাইদহ যশোর জেলার একটি মহকুমা ছিল। ঝিনাইদহ জেলাটি ১৮৬২ সালে মহকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৪ সালে এটি একটি পৃথক জেলা হয়। এই জেলার নামকরণ সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি। কথিত আছে যে, ক্যালসিয়াম উৎপাদনের জন্য '‘নবগঙ্গা’' নদী এবং '‘দহা’' নদী থেকে ঝিনুক সংগ্রহের জন্য এই এলাকা বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল। এই জেলার নাম ঝিনাইদহ “ঝিনুক”এবং “দাহ”শব্দদ্বয় থেকে নেয়া হয়েছে বলে মনে করা হয়। মধ্যযুগে, বাংলার সুলতান জালালউদ্দিন মুহাম্মদ শাহ-এর নামে নামকৃত টাকশাল শহর মুহাম্মদাবাদ, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অবস্থিত ছিল।

অবস্থান ও আয়তন

ভৌগোলিক বিস্তৃতি ২৩° ১৩' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩° ৪৬' উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত এবং ৮৮° ৪২' পূর্ব দ্রাঘিমা হতে ৮৯° ২৩' পূর্ব দ্রাঘিমা পর্যন্ত। জেলার আয়তন ১৯৬৪.৭৭ বর্গ কিলোমিটার। ঝিনাইদহ জেলার উত্তরে কুষ্টিয়া জেলা, দক্ষিণে যশোর জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে রাজবাড়ী জেলা ও মাগুরা জেলা, পশ্চিমে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।

জনসংখ্যা

বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুযায়ী, ঝিনাইদহ জেলার জনসংখ্যা হল ২০,০৫,৮৪৯ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব হল ১,০২১ জন/বর্গ কিমি। পুরুষ হল জনসংখ্যার ৫০.০৪% এবং মহিলা ৪৯.৯৬%। মুসলমানরা জনসংখ্যার ৯০.৩৯%, হিন্দু ৯.৪৮%, খ্রিস্টান ০.০৬% এবং অন্যান্যরা হল ০.০৮%। সাত বছর বা তার উপরের বয়সীদের মধ্যে ঝিনাইদহে সাক্ষরতার হার ৭২.৮১%।

নদ-নদী

ঝিনাইদহ জেলায় অনেকগুলো নদ নদী রয়েছে। নদ-নদীগুলো হচ্ছে কপোতাক্ষ নদ, নবগঙ্গা নদী, গড়াই নদী, কুমার নদ, ডাকুয়া নদী, বেতনা নদী, চিত্রা নদী, ভৈরব নদ ও বেগবতী নদী।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, ঝিনাইদহ জেলা · CC BY-SA 4.0

ঝিনাইদহ জেলার দর্শনীয় স্থান

  • ঢোল সমুদ্র দীঘি
  • নলডাঙ্গা জমিদার বাড়ি
  • নলডাঙ্গা মন্দির
  • নলডাঙ্গা রাজবাড়ি রিসোর্ট এন্ড পিকনিক স্পট
  • সাতগাছিয়া মসজিদ
  • শৈলকুপা জমিদার বাড়ি
  • বারোবাজার প্রত্নতাত্ত্বিক মসজিদ
  • মল্লিকপুর বটগাছ
  • ধান্য হাড়িয়া পূর্বপাড়া জামে মসজিদ, ধান্য হাড়িয়া, যাদবপুর, মহেশপুর
  • জোহান ড্রীম ভ্যালী পার্ক
  • দত্তনগর কৃষি ফার্ম,মহেশপুর

ঝিনাইদহ জেলার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • মসিউর রহমান, রাজনীতিবিদ
  • গোলাম মোস্তফা, কবি
  • কালীপদ বসু, গণীতবীদ
  • জয়গোপাল তর্কালঙ্কার, সাহিত্যিক
  • পাগলা কানাই, মরমী সাধক
  • জামাল নজরুল ইসলাম, বিখ্যাত গণিতবিদ ও পদার্থ বিজ্ঞানী
  • বীর শ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ
  • বাঘা যতীন, ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী
  • খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, ইসলামি ব্যক্তিত্ব
  • ইলা মিত্র, তেভাগা আন্দোলনের অন্যতম নেতা
  • মুস্তফা মনোয়ার, চিত্রশিল্পী
  • মনির খান, গায়ক

জেলার মানচিত্র

ঝিনাইদহ জেলা

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর। ৪টি আসন; এলাকায় চাপ দিলে সেই আসনের পাতা।

আসন ও সংসদ সদস্য

ঝিনাইদহ জেলা খুলনা বিভাগের একটি জেলা, জাতীয় সংসদে যার ৪টি আসন: ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা উপজেলা), ঝিনাইদহ-২, ঝিনাইদহ-৩ (কোর্টচাদপুর ও মহেশপুর উপজেলা) ও ঝিনাইদহ-৪। ত্রয়োদশ সংসদে আসনগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ৩টি ও বিএনপির ১টি। দ্বাদশ সংসদে (২০২৪) এই আসনগুলো ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৩টি ও স্বতন্ত্র ১টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →