মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
চট্টগ্রাম বিভাগ

নোয়াখালী জেলা

Noakhali · ৬টি সংসদীয় আসন · ৯টি উপজেলা। প্রতিটি আসনের বর্তমান সদস্য, সংসদের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী।

আসন৬
উপজেলা৯
দল২

নোয়াখালী জেলা পরিচিতি

নোয়াখালী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী জেলা নোয়াখালী। উপজেলার সংখ্যানুসারে নোয়াখালী বাংলাদেশের একটি 'এ' শ্রেণিভুক্ত জেলা। নোয়াখালী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার নিজের নামে কোন শহর নেই। আয়তনে এটি বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ বৃহত্তম জেলা।

নামকরণ

নোয়াখালী জেলার প্রাচীন নাম ছিল ভুলুয়া। নোয়াখালী সদর থানার আদি নাম সুধারাম। ইতিহাসবিদদের মতে একবার ত্রিপুরার পাহাড় থেকে প্রবাহিত ডাকাতিয়া নদীর জলে ভুলুয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভয়াবহভাবে প্লাবিত হয় ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

অবস্থান ও আয়তন

নোয়াখালী জেলার মোট আয়তন ৪,২০২ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে ২২°০৭' থেকে ২৩°০৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০°৫৩' থেকে ৯১°২৭' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে নোয়াখালী জেলার অবস্থান। রাজধানী ঢাকা থেকে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার।

জনসংখ্যা

২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী নোয়াখালী জেলার মোট জনসংখ্যা ৩৬,২৫,৪৪২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৫,৩৭,৮০৯ জন এবং মহিলা ১০,৮৭,৬৩৩ জন। ধর্মবিশ্বাস অনুসারে এ জেলার মোট জনসংখ্যার ৯৫.৮৯% মুসলিম, ৪.০৬% হিন্দু এবং ০.০৫% অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।

অর্থনীতি

নোয়াখালী জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষি নির্ভর। আঞ্চলিক জিডিপির প্রায় ৪০% কৃষি খাত থেকে আসে এবং জেলার ৮০ ভাগ লোক এই পেশার সাথে সংশ্লিষ্ট। কৃষির মধ্যে মূলত মৎস্য চাষ ও মৎস্য আহরণের সাথে সবচেয়ে বেশি মানুষ জড়িত। বছরজুড়ে নৌকা তৈরি ও মেরামত, মাছ ধরা, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন, শুটকি উৎপাদন, জাল মেরামত এর সাথে প্রায় ৬০-৭০ ভাগ শ্রমজীবী জড়িত থাকে। নিম্নভূমি অঞ্চল হওয়াতে এই জেলায় প্রচুর মৎস্য চাষ হয়ে থাকে, যা এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, নোয়াখালী জেলা · CC BY-SA 4.0

নোয়াখালী জেলার দর্শনীয় স্থান

  • নোয়াখালী ড্রীম ওয়ার্ল্ড পার্ক, ধর্মপুর
  • দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থা পার্ক, হাতিয়া
  • কমলার দিঘী, হাতিয়া
  • গাজী এয়াকুব আলী মাজার শরীফ, সেনবাগ
  • নলুয়া মিঞা বাড়ি জামে মসজিদ, সেনবাগ
  • কেশার পাড় দিঘী,সেনবাগ
  • গ্রীন পার্ক,চাতারপাইয়া বাজার সংলগ্ন, সোনাইমুড়ী
  • মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয়
  • কল্যান্দি জমিদার বাড়ি
  • এয়াকুব আলী ব্যাপারী জামে মসজিদ, সোনাপুর
  • কমলা রাণীর দীঘি
  • কল্যান্দী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির

নোয়াখালী জেলার নদ-নদী

  • নোয়াখালী জেলার প্রধান নদী মেঘনা
  • এছাড়াও উল্লেখযোগ্য নদীর মধ্যে ডাকাতিয়া ও ছোট ফেনী নদী অন্যতম

নোয়াখালী জেলার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • সার্জেন্ট জহুরুল হক · আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামী ও শহীদ
  • মওদুদ আহমদ · বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও উপরাষ্ট্রপতি
  • আব্দুল মালেক উকিল · আইনজীবী এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি
  • মঈন উদ্দিন আহমেদ · বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১২তম সেনাপ্রধান
  • আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক · বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫তম সেনাপ্রধান
  • শিরীন শারমিন চৌধুরী · বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পীকার
  • আবুল খায়ের · রসায়নবিদ ও নৌবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য
  • আনিসুল হক · ব্যবসায়ী ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র
  • আবদুল হাকিম · মধ্যযুগীয় কবি
  • আমিরুল ইসলাম কামাল · মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী
  • মোহাম্মদ আবুল বাশার · বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা
  • আবুল কালাম আজাদ · বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা

জেলার মানচিত্র

নোয়াখালী জেলা

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর। ৬টি আসন; এলাকায় চাপ দিলে সেই আসনের পাতা।

আসন ও সংসদ সদস্য

নোয়াখালী জেলা চট্টগ্রাম বিভাগের একটি জেলা, জাতীয় সংসদে যার ৬টি আসন: নোয়াখালী-১, নোয়াখালী-২, নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ উপজেলা), নোয়াখালী-৪, নোয়াখালী-৫ ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া উপজেলা)। ত্রয়োদশ সংসদে আসনগুলোর মধ্যে বিএনপির ৫টি ও এনসিপির ১টি। দ্বাদশ সংসদে (২০২৪) সবগুলো আসনই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →