মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

Amir Khosru Mahmud Chowdhury

বর্তমান সদস্য, ত্রয়োদশ সংসদমন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়মোট ৫ বার নির্বাচিত

সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, মন্ত্রিসভা

পরিচিতি

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি, সংসদীয় কমিটি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (Amir Khosru Mahmud Chowdhury) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) মন্ত্রিসভায় তিনি অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।

ব্যবসায়ী ও পুঁজিবাজারের সংগঠক হিসেবে পরিচিত এই নেতা এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী সংসদ সদস্য হিসেবে এটি তাঁর পঞ্চম মেয়াদ।

শৈশব, পরিবার ও শিক্ষা

জাতীয় সংসদের তথ্য অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯৫০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি; স্থায়ী ঠিকানা চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর উত্তর কাট্টলী। বাবা মাহমুদুন্নবী চৌধুরী (Mahmudunnabi Chowdhury) ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের হয়ে পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং প্রাদেশিক সরকারে মন্ত্রী ছিলেন; চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। মা মেহেরুন্নেসা বেগম চৌধুরী।

আমির খসরু ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে স্নাতক হন এবং পরে লন্ডনে হিসাববিজ্ঞান পড়েন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি বাবার ব্যবসায় যুক্ত হন। স্ত্রী তাহেরা আলম; তাঁদের এক পুত্র ও এক কন্যা।

রাজনৈতিক জীবন

১৯৯১ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া (Khaleda Zia) পাঁচটি আসনে জিতে ফেনী-১ রেখে বাকিগুলো ছেড়ে দিলে চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে আমির খসরু প্রথমবার সংসদে আসেন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও জুনের নির্বাচনে এবং ২০০১ সালেও তিনি একই আসনে জয়ী হন। ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর থেকে ২০০৪ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত তিনি খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন।

২০০৮ সালে চট্টগ্রাম-১০ এবং ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়ে তিনি আওয়ামী লীগের এম. আবদুল লতিফের কাছে পরাজিত হন। দলে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৬ সালের ৬ আগস্ট দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন। বিরোধী রাজনীতির বছরগুলোতে তিনি একাধিক মামলার মুখোমুখি হন; ২০১৮ সালের অক্টোবরে গ্রেপ্তার হয়ে নভেম্বরে জামিনে মুক্তি পান।

২০২৬ নির্বাচন

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ১,১৫,৯৯৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম পান ৭৬,৬৮১ ভোট; জয়ের ব্যবধান ৩৯,৩১৮ ভোট। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের তথ্যে ভোটের হার ছিল ৪১.৭৩ শতাংশ। ফল ঘোষণার রাতেই শফিউল আলম ফেসবুকে তাঁকে অভিনন্দন জানান। এ জয়ে ২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের হাতে থাকা বন্দর-পতেঙ্গা এলাকার আসনটি বিএনপির ঘরে আসে।

উল্লেখযোগ্য কাজ ও অবদান

তিনি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা; ১৯৯৫ সালে যাত্রার প্রথম দিন থেকে এর নেতৃত্ব দেন এবং চেয়ারম্যান ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ার স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর সংগঠন সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব এক্সচেঞ্জেসের প্রথম সভাপতি ছিলেন এবং দুইবার চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি নির্বাচিত হন।

সংসদে ১৯৯১-১৯৯৬ মেয়াদে বাণিজ্য এবং ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে অর্থ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং কারিগরি শিক্ষা নিয়ে কাজ করা মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। চট্টগ্রামে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের অনারারি কনসাল ছিলেন এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

সূত্র: জাতীয় সংসদ, nbr.gov.bd, উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৩, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৪, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৫, observerbd.com, tbsnews.net, prothomalo.com, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৬, cse.com.bd, thedailystar.net। ভুল দেখলে জানান।

জন্ম২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৫০, ৭৬ বছর
জন্মস্থানপাহাড়তলী, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ*
লিঙ্গপুরুষ
শিক্ষাচট্টগ্রাম কলেজ (স্নাতক, ১৯৬৯)লন্ডন, যুক্তরাজ্য (হিসাববিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা)
পেশাব্যবসায়ী
পিতামাহমুদুন্নবী চৌধুরী
মাতামেহেরুন্নেসা চৌধুরী
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ৫ বার

* চিহ্নিত তথ্য সদস্যের উইকিপিডিয়া নিবন্ধ থেকে নেওয়া; সংসদ বা নির্বাচন কমিশনের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। ভুল দেখলে জানান।

বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রম

২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর সংসদীয় মেয়াদ শুরু হয় এবং একই দিন তিনি অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে জাতীয় বাজেট, রাজস্ব ও ব্যাংক খাতের নীতি এবং উন্নয়ন পরিকল্পনার দায়িত্ব তাঁর; ২০২৬ সালের ২১ আগস্টের মন্ত্রিসভা রদবদলেও দুই মন্ত্রণালয় তাঁর হাতে থাকে। ২০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নতুন বাজেট গতানুগতিক হবে না; সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই লক্ষ্য। ২১ এপ্রিল সংসদে প্রশ্নোত্তরে তিনি জানান, এস আলম ও বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগে দেশের আদালতে ২৭টি মামলা হয়েছে এবং বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের উদ্যোগ চলছে। ১১ জুন তিনি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে উপস্থাপন করেন, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড়; ৩০ জুন সংসদে বাজেটটি পাস হয়।

সূত্র: bangla.thedailystar.net ১, bangla.thedailystar.net ২, en.prothomalo.com ১, dhakatribune.com, en.prothomalo.com ২। ভুল দেখলে জানান।

নির্বাচনী এলাকা

চট্টগ্রাম-১১

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর।

নির্বাচনী এলাকার পরিচিতি

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) জাতীয় সংসদের ২৮৮ নম্বর আসন, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম জেলায়। আসনটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত; এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আগ্রাবাদ, পাঠানটুলী, মাদারবাড়ী, গোসাইলডাঙ্গা, হালিশহর ও পতেঙ্গা এলাকা। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের তথ্য অনুযায়ী ২০২৬ সালের নির্বাচনে এখানে ভোটার ছিলেন ৪,৯৫,২৭৮ জন।

ওয়ার্ডগুলো মূলত ডবলমুরিং, বন্দর ও পতেঙ্গা থানায়; ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের একাংশ কোতোয়ালী থানায়। ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী ডবলমুরিং থানার জনসংখ্যা ২,৪৯,৩৪৪, বন্দর থানার ১,৭১,০৫৪ এবং পতেঙ্গা থানার ১,৬৪,০১৯; ডবলমুরিং থানার কিছু অংশ অন্য আসনে পড়ে।

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৭০ শতাংশের বেশি সামাল দেওয়া চট্টগ্রাম বন্দর এই আসনের বন্দর এলাকায়। দক্ষিণ হালিশহরে রয়েছে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (সিইপিজেড), আর দক্ষিণ আগ্রাবাদ নগরীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র আগ্রাবাদের অংশ। পতেঙ্গায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী একাডেমি; দক্ষিণ পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা পর্যন্ত গেছে কর্ণফুলী টানেল।

আসনের সীমানা ও নম্বর সময়ের সঙ্গে বদলেছে। ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত নগরীর তখনকার চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জয়ী হন। বর্তমান এলাকাটি ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম-১০ নামে ছিল এবং ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম-১১ হয়; ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত চারটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এম. আবদুল লতিফ এবং ২০২৬ সালে বিএনপির আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এখানে জয়ী হন।

সূত্র: জাতীয় সংসদ, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, tbsnews.net, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৩, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৪, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৫, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৬, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৭, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৮, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৯, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১০, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১১, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১২, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১৩, prothomalo.com। ভুল দেখলে জানান।

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬চট্টগ্রাম-১১বর্তমান মেয়াদBNP
অষ্টম সংসদ, ২০০১চট্টগ্রাম-৮CHITTAGONG-8BNP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন; আগের ৪টি মেয়াদের মধ্যে ১টির বিস্তারিত এখানে আছে। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬প্রার্থীদের মোট ২,০২,৫১৮ ভোট
  1. আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীBNPবিজয়ী১,১৫,৯৯৯৫৭.৩%
  2. Mohammad Shafiul AlamBJEI৭৬,৬৮১৩৭.৯%
  3. Muhammad Abu TaherIFB৫,১২৭২.৫%
  4. Md. Noor UddinIAB২,৫৫৭১.৩%
  5. Abu TaherJP(ERSHAD)১,০০৪০.৫%
  6. Ujjal BhowmikGF৩০৭০.২%
  7. Deepa MajumderSPB-M২৩১০.১%
  8. Md. Aziz MiaIBB২১০০.১%
  9. Mohammad Jahangir BhuiyanInd১৭৮০.১%
  10. Md. Nizamul Haque Al QaderiBasad১২০০.১%
  11. Muhammad Nezam UddinGOP১০৪০.১%
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি।মূল পাতা

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন

এই সদস্য সম্পর্কে সংসদ সচিবালয়ের কোনো প্রজ্ঞাপন নেই।সংসদ সচিবালয় কোনো সদস্যের নামে প্রজ্ঞাপন বা সরকারি আদেশ প্রকাশ করলে তা প্রতিদিন এখানে যুক্ত হয়।

আসন: চট্টগ্রাম-১১

আসনের পাতা →
এলাকা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর-২৭,২৮,২৯,৩০,৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০ ও ৪১

সংসদীয় কমিটি(৩)

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

সম্পাদকের যাচাই করা ২২টি খবর

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →