মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম জেলা

Chattogram · ১৬টি সংসদীয় আসন · ১৫টি উপজেলা। প্রতিটি আসনের বর্তমান সদস্য, সংসদের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী।

আসন১৬
উপজেলা১৫
দল২

চট্টগ্রাম জেলা পরিচিতি

চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। অবস্থানগত কারণে চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশের একটি বিশেষ শ্রেণীভুক্ত জেলা। পাহাড়, সমুদ্র, উপত্যকা, বন-বনানীর কারণে চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম লীলাভূমি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যের কারণে চট্টগ্রামকে "প্রাচ্যের রানী" বলা হয়। প্রতিষ্ঠাকালের হিসেবে এই জেলা বাংলাদেশের প্রথম এবং আয়তনে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা। সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, চট্টগ্রাম জেলার জনসংখ্যা ৯১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪৬৫ জন। চট্টগ্রাম জেলায় রয়েছে কক্সবাজারের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত, যার নাম বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত।

নামকরণ

চট্টগ্রামের প্রায় ৪৮টি নামের খোঁজ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‌ রম্যভুমি, চাটিগাঁ, চাতগাঁও, রোসাং, চিতাগঞ্জ, জাটিগ্রাম ইত্যাদি। চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতভেদ রয়েছে। পণ্ডিত বার্নোলির মতে, আরবি "শ্যাত" অর্থ বদ্বীপ, গাঙ্গ অর্থ গঙ্গা নদী‌ এ থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি।

অবস্থান ও আয়তন

চট্টগ্রাম জেলার মোট আয়তন ৫,২৮২.৯২ বর্গ কিলোমিটার। আয়তনের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে ২১°৫৪´ থেকে ২২°৫৯´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°১৭´ থেকে ৯২°১৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে চট্টগ্রাম জেলার অবস্থান। রাজধানী ঢাকা থেকে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ২৫৯ কিলোমিটার।

জনসংখ্যা

২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী চট্টগ্রাম জেলার মোট জনসংখ্যা ১,৭৫,৫৭,৪৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮৭,৬৯,৬১০ জন এবং মহিলা ৮৭,৭০,১৮৫ জন এবং বাকি ৬৪৫ জন হিজড়া। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ৩২২৩ জন। ধর্মবিশ্বাস অনুসারে এ জেলার মোট জনসংখ্যার ৮৭.৪৭% ইসলাম, ১০.৭০% হিন্দু এবং ১.৮৩% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

অর্থনীতি

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বাংলাদেশের সর্বমোট রপ্তানী বাণিজ্যের প্রায় ৭৫ ভাগ সংঘটিত হয়। অন্যদিকে আমদানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ হার ৮০ ভাগ। রাজস্ব আয়েও চট্টগ্রামের ভূমিকা অপরিসীম। দেশের মোট রাজস্ব আয়ের শতকরা ৬০ ভাগ আসে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে। বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।

সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য

চট্টগ্রাম জেলার অফিসিয়াল ভাষা প্রমিত বাংলা হলেও এ জেলার একটি স্বতন্ত্র উপভাষা রয়েছে, যেটি চাটগাঁইয়া বাংলা নামে পরিচিত। চট্টগ্রাম জেলার অধিকাংশ লোক এ উপভাষায় কথা বলে। চট্টগ্রাম জেলা নানান লোকসংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ। মুসলমান সম্প্রদায়ের মেজবান এ জেলার একটি ঐতিহ্য। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো যথাযোগ্য মর্যাদা আর আনুষ্ঠানিকতায় পালন করে থাকে।

নদ-নদী

চট্টগ্রাম জেলার প্রধান নদীর মধ্যে কর্ণফুলী নদী, হালদা নদী, সাঙ্গু নদী এবং মুহুরী নদী উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও তুলনামূলক ছোট ডলু নদী ও টংকাবতী নদী রয়েছে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, চট্টগ্রাম জেলা · CC BY-SA 4.0

জেলার মানচিত্র

চট্টগ্রাম জেলা

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর। ১৬টি আসন; এলাকায় চাপ দিলে সেই আসনের পাতা।

আসন ও সংসদ সদস্য

চট্টগ্রাম জেলা চট্টগ্রাম বিভাগের একটি জেলা, জাতীয় সংসদে যার ১৬টি আসন: চট্টগ্রাম-১ থেকে চট্টগ্রাম-১৬। ত্রয়োদশ সংসদে ১টি আসন এখন শূন্য, বাকি ১৫টির মধ্যে বিএনপির ১৩টি ও জামায়াতে ইসলামীর ২টি। দ্বাদশ সংসদে (২০২৪) এই আসনগুলো ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ১২টি, স্বতন্ত্র ৩টি ও জাতীয় পার্টির ১টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →