মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদ

ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদ

Iqbal Hassan Mahmood

বর্তমান সদস্য, ত্রয়োদশ সংসদমন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়মোট ৪ বার নির্বাচিত

সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, মন্ত্রিসভা

পরিচিতি

ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদ সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বর্তমানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।

ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদ টুকু (Iqbal Hasan Mahmud Tuku) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি (Bangladesh Nationalist Party)-র জাতীয় স্থায়ী কমিটির এই সদস্য সরাসরি ভোটে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা টুকু প্রায় চার দশক ধরে রপ্তানিমুখী শিল্পের উদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিত।

শৈশব, পরিবার ও শিক্ষা

টুকুর জন্ম ১৯৫০ সালের ১০ মে, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের কয়েলগাতি গ্রামের এক তালুকদার পরিবারে। বাবা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (Abdullah Al Mahmud) পাকিস্তান সরকারের শিল্প ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রী ছিলেন; মা বেগম আবেদা খাতুন।

সিরাজগঞ্জে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (University of Dhaka) থেকে সমাজবিজ্ঞানে সম্মানসহ স্নাতক এবং ১৯৭৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রজীবনে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত থেকে ১৯৬৯ সালের এগারো দফা আন্দোলনে অংশ নেন এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তাঁর স্ত্রী রুমানা মাহমুদ (Rumana Mahmood) সাবেক সংসদ সদস্য; তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে।

রাজনৈতিক জীবন

১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তিনি সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর বিএনপিতে যোগ দেন।

২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ নাসিমকে (Mohammed Nasim) ২৯,১৫৮ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে আবার আসনটিতে জয়ী হন। খালেদা জিয়ার (Khaleda Zia) নেতৃত্বাধীন সরকারে তিনি ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৬ সালের মে পর্যন্ত বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এবং পরে অক্টোবর পর্যন্ত কৃষি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে আসনটিতে বিএনপির হয়ে জয়ী হন তাঁর স্ত্রী রুমানা মাহমুদ। ২০১৯ সালের ১৯ জুন বিএনপি তাঁকে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করে।

২০০৭ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা সম্পদ-সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর সাজা হয়েছিল; ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ তাঁকে খালাস দেয়। এর আগে প্রায় আড়াই বছর লন্ডনে কাটিয়ে তিনি ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর দেশে ফেরেন।

২০২৬ নির্বাচন

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে তিনি চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ৪,৬৯,৮৭৮ জন নিবন্ধিত ভোটারের এই আসনে তিনি পান ১,৭৭,৫৭৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (Muhammad Jahidul Islam) পান ১,৩৮,৭৯৭ ভোট; জয়ের ব্যবধান ৩৮,৭৮১ ভোট।

উল্লেখযোগ্য কাজ ও অবদান

রাজনীতির বাইরে টুকুর বড় পরিচয় শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে। অ্যাপেক্স গ্রুপের (Apex Group) প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকদের একজন হিসেবে তিনি অ্যাপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৭৮ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রসারে তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থার পরিচালক ছিলেন তিনি; ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (Dhaka Chamber of Commerce & Industry) পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ছিলেন।

সূত্র: bssnews.net, উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, bdnews24.com, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, newagebd.net, dhakatribune.com ১, dhakatribune.com ২, tbsnews.net ১, tbsnews.net ২, জাতীয় সংসদ, dhakachamber.com। ভুল দেখলে জানান।

জন্ম১০ মে ১৯৫০, ৭৬ বছর
জন্মস্থানকয়েলগাতি, সিরাজগঞ্জ, পূর্ববঙ্গ, পাকিস্তানের অধিরাজ্য*
লিঙ্গপুরুষ
শিক্ষাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (স্নাতকোত্তর, ১৯৭৫)
পেশাশিল্পপতি, ব্যবসায়ী*
পিতাআব্দুল্লাহ্‌-আল-মাহমুদ
মাতাবেগম আবেদা খাতুন
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ৪ বার

* চিহ্নিত তথ্য সদস্যের উইকিপিডিয়া নিবন্ধ থেকে নেওয়া; সংসদ বা নির্বাচন কমিশনের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। ভুল দেখলে জানান।

বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রম

২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পাশাপাশি তিনি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ দেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ, আর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ দেখে প্রাথমিক জ্বালানির আমদানি, অনুসন্ধান, উত্তোলন ও মূল্য নির্ধারণ। মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আছেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (Anindya Islam Amit)।

দায়িত্বের প্রথম দিন, ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি জানান, রমজান ও সেচ মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহই প্রথম অগ্রাধিকার। ২৯ জুন সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি জানান, বন্ধ থাকা দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র আবার চালু হওয়ায় উৎপাদন প্রায় ১৪,৫০০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে এবং ঘাটতি নেমেছে প্রায় ৩৩৯ মেগাওয়াটে। ১৭ জুলাই সিরাজগঞ্জে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, যা জ্বালানি আমদানি কমাবে।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (ইংরেজি), tbsnews.net ১, tbsnews.net ২, bssnews.net, dhakatimes24.com। ভুল দেখলে জানান।

নির্বাচনী এলাকা

সিরাজগঞ্জ-২

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর।

নির্বাচনী এলাকার পরিচিতি

সিরাজগঞ্জ-২ (Sirajganj-2) জাতীয় সংসদের ৬৩ নম্বর আসন, রাজশাহী বিভাগের সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের সীমানা পুনর্নির্ধারণ অনুযায়ী আসনটি গঠিত সিরাজগঞ্জ পৌরসভা, সদর উপজেলার বহুলী, শিয়ালকোল, খোকশাবাড়ী, কাওয়াকোলা, কালিয়াহরিপুর ও সয়দাবাদ ইউনিয়ন এবং পুরো কামারখন্দ উপজেলা নিয়ে; সদরের বাকি চার ইউনিয়ন পড়েছে সিরাজগঞ্জ-১ আসনে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ৪,৬৯,৮৭৮ জন।

যমুনার পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার জনসংখ্যা ২০২২ সালের জনশুমারিতে ৬,৩১,৯২৮, যার এক-তৃতীয়াংশের বেশি শহরবাসী। কৃষির পাশাপাশি ব্যবসা, চাকরি ও শিল্প এখানকার জীবিকার বড় উৎস; জেলাটি তাঁতশিল্পের জন্য পরিচিত। যমুনা সেতু, ১৮৯৩ সালে নির্মিত ইলিয়ট ব্রিজ, ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামিয়া কলেজ এবং শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ এই উপজেলায়।

সদরের দক্ষিণে কামারখন্দ জেলার সবচেয়ে ছোট উপজেলা; ২০২২ সালের জনশুমারিতে জনসংখ্যা ১,৫৪,৩৮৬। এর চারটি ইউনিয়ন জামতৈল, ঝাঐল, ভদ্রঘাট ও রায়দৌলতপুর। প্রায় অর্ধেক পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস কৃষি; ধান, পাট, আখ ও সরিষা প্রধান ফসল, আর তাঁত ও মৃৎশিল্পের মতো কুটিরশিল্পও আছে। হুরাসাগর ও করতোয়া এখানকার নদী। ১৯৭১ সালের ১৭ জুন ভদ্রঘাটে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাকিস্তানি বাহিনীর যুদ্ধ হয়।

১৯৯১ সালে আসনটিতে বিএনপি, ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ নাসিম, আর ২০০১ ও ২০০৮ সালে আবার বিএনপি জয়ী হয়। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে আসনটি আওয়ামী লীগের হাতে ছিল; ২০২৬ সালে বিএনপির ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদ টুকু জয়ী হন। এ সময়ে সীমানাও বদলেছে: ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বহুলী ইউনিয়ন ছিল সিরাজগঞ্জ-১ আসনে, ২০২৫ সালে তা আবার এ আসনে ফেরে।

সূত্র: bangla.bdnews24.com, prothomalo.com, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ১, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ২, tbsnews.net, ajkerpatrika.com, bn.banglapedia.org ১, bn.banglapedia.org ২, citypopulation.de, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৩। ভুল দেখলে জানান।

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬সিরাজগঞ্জ-২বর্তমান মেয়াদBNP
অষ্টম সংসদ, ২০০১সিরাজগঞ্জ-২SIRAJGANJ-2BNP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন; আগের ৩টি মেয়াদের মধ্যে ১টির বিস্তারিত এখানে আছে। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬প্রার্থীদের মোট ৩,২০,৭৬৬ ভোট
  1. ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদBNPবিজয়ী১,৭৭,৫৭৮৫৫.৪%
  2. Muhammad Jahidul IslamBJEI১,৩৮,৭৯৭৪৩.৩%
  3. Md. MohibullahIAB২,১৬৭০.৭%
  4. S. M. Abdullah Al MamunBasad৮৬৪০.৩%
  5. Md. Anwar HossainCPB৭৬৯০.২%
  6. Mohammad Mahfuzur RahmanGOP৪১০০.১%
  7. Md. Sohel RanaJanotar Dol১৮১০.১%
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি।মূল পাতা

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন

এই সদস্য সম্পর্কে সংসদ সচিবালয়ের কোনো প্রজ্ঞাপন নেই।সংসদ সচিবালয় কোনো সদস্যের নামে প্রজ্ঞাপন বা সরকারি আদেশ প্রকাশ করলে তা প্রতিদিন এখানে যুক্ত হয়।

আসন: সিরাজগঞ্জ-২

আসনের পাতা →
এলাকা

(ক) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার নিম্নলিখিত ইউনিয়নসমূহ:- (১) বহুলী, (২) শিয়ালকোল, (৩) খোকশাবাড়ী, (৪) কাওয়াকোলা, (৫) কালিয়াহরিপুর ও (৬) সয়দাবাদ ইউনিয়ন, (খ) সিরাজগঞ্জ পৌরসভা এবং (গ) কামারখন্দ উপজেলা

সংসদীয় কমিটি(১)

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →