মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
মোঃ আমানউল্লাহ আমান

মোঃ আমানউল্লাহ আমান

Md. Amanullah Aman

বর্তমান সদস্য, ত্রয়োদশ সংসদমোট ৫ বার নির্বাচিত

সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, মন্ত্রিসভা

পরিচিতি

মোঃ আমানউল্লাহ আমান ঢাকা-২ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি, নির্বাচনী ফলাফল, আগের মেয়াদ, সংসদীয় কমিটি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।

মোঃ আমানউল্লাহ আমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ উপজেলার অংশ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং সাভার উপজেলার আমিনবাজার, তেতুলঝড়া ও ভাকুর্তা ইউনিয়ন) আসনের সংসদ সদস্য। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত এই অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ পঞ্চমবারের মতো সংসদে এসেছেন। সংসদে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি। পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, সরকারী হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি এবং বেসরকারী সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির সদস্য। ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।

আমান ১৯৬২ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মেঘু মিয়া এবং মাতা করিমন নেসা।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু। ১৯৯০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। সে বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সামনের সারির ছাত্রনেতাদের একজন ছিলেন তিনি, যে আন্দোলনের ফলে জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার ঢাকা-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও জুনের নির্বাচনে এবং ২০০১ সালে একই আসন থেকে পুনরায় নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০১ সালের সরকারে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং পরে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দলে তিনি ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১,৬৩,৭৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সাবেরা আমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। তাঁদের ছেলে এরফান ইবনে আমান অমি।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (ইংরেজি), tbsnews.net। ভুল দেখলে জানান।

জন্ম২৫ জানুয়ারি ১৯৬২, ৬৪ বছর
জন্মস্থানকেরানীগঞ্জ উপজেলা, ঢাকা
লিঙ্গপুরুষ
পেশাব্যবসা
পিতামেঘু মিয়া
মাতাকরিমন নেসা
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ৫ বার

নির্বাচনী এলাকা

ঢাকা-২

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর।

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬ঢাকা-২বর্তমান মেয়াদBNP
পঞ্চম সংসদ, ১৯৯১আসন উল্লেখ নেইBNP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন; আগের ৪টি মেয়াদের মধ্যে ১টির বিস্তারিত এখানে আছে। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬প্রার্থীদের মোট ২,৫০,১৯৮ ভোট
  1. মোঃ আমানউল্লাহ আমানBNPবিজয়ী১,৬৩,৭৯৩৬৫.৫%
  2. Md. Abdul HuqBJEI৮০,০৫৩৩২.০%
  3. Md. Jahirul IslamIAB৬,৩৫২২.৫%
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। উইকিপিডিয়ায় (ইংরেজি) বিজয়ীর ভোট ১,৬৩,০২০।মূল পাতা

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন

এই সদস্য সম্পর্কে সংসদ সচিবালয়ের কোনো প্রজ্ঞাপন নেই।সংসদ সচিবালয় কোনো সদস্যের নামে প্রজ্ঞাপন বা সরকারি আদেশ প্রকাশ করলে তা প্রতিদিন এখানে যুক্ত হয়।

আসন: ঢাকা-২

আসনের পাতা →
এলাকা

(ক) কেরানীগঞ্জ উপজেলার নিম্নলিখিত ইউনিয়নসমূহ:- (১) তারানগর, (২) কলাতিয়া, (৩) হযরতপুর, (৪) রোহিতপুর, (৫) শাক্তা, (৬) কালিন্দী ও (৭) বাস্তা ইউনিয়ন এবং (খ) সাভার উপজেলার নিম্নলিখিত ইউনিয়নসমূহ:- (১) আমিনবাজার, (২) তেঁতুলঝোড়া ও (৩) ভাকুর্তা ইউনিয়ন

সংসদীয় কমিটি(৪)

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

সম্পাদকের যাচাই করা ১টি খবর

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →