মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

Mir Mohammed Helal Uddin

বর্তমান সদস্য, ত্রয়োদশ সংসদপ্রতিমন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয়প্রতিমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, মন্ত্রিসভা

পরিচিতি

মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন চট্টগ্রাম-৫ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) এবং বর্তমানে ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।

ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন (Mir Mohammed Helal Uddin), যিনি মীর হেলাল নামে পরিচিত, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের সংসদ সদস্য এবং ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) এই নেতা পেশায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।

তাঁর বাবা ছিলেন ২০০১ সালের বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী; ২০২৬ সালে তারেক রহমানের (Tarique Rahman) মন্ত্রিসভায় ছেলেও প্রতিমন্ত্রী হন।

শৈশব, পরিবার ও শিক্ষা

১৯৮২ সালের ১২ আগস্ট চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মীরেরখিলে তাঁর জন্ম। বাবা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র, সৌদি আরবে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক সাবেক প্রতিমন্ত্রী। মা প্রয়াত ডালিয়া নাজনীন নাছির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন এবং পরে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। মীর হেলাল তাঁদের একমাত্র ছেলে। স্ত্রী নওশিন হেলাল; তাঁদের তিন ছেলে।

২০০২ সালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন (University of Wolverhampton) থেকে এলএলবি (সম্মান) এবং ২০০৩ সালে কলেজ অব ল থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স শেষ করে ২০০৪ সালে লিংকনস ইন (Lincoln's Inn) থেকে ব্যারিস্টার হন। দেশে ফিরে সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন; আইনি প্রতিষ্ঠান দ্য লইয়ার্স কাউন্সিলের প্রধান তিনি।

রাজনৈতিক জীবন

বাবার পথ ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে আসেন। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে চট্টগ্রাম বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিএনপি মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, চেয়ারপারসনের বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী এবং তারেক রহমান পরিচালিত লিগ্যাল রিসার্চ সেলের আহ্বায়ক। এ ছাড়া জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং সেন্টার ফর ন্যাশনালিজম স্টাডিজের কোষাধ্যক্ষ।

২০০৭ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা সম্পদ-সংক্রান্ত একটি মামলায় বাবার সঙ্গে তাঁরও সাজা হয়েছিল; দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ দুজনকেই খালাস দেয়।

২০২৬ নির্বাচন

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে চট্টগ্রাম-৫ আসনে তিনি ১,৪৭,০৫৪ ভোট পান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দিন পান ৪৬,৫৮৯ ভোট; ব্যবধান ১,০০,৪৬৫ ভোট। এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং আসনটি দীর্ঘ বিরতির পর আবার বিএনপির হাতে আসে।

উল্লেখযোগ্য কাজ ও অবদান

সংসদে আসার আগে থেকেই তিনি হাটহাজারীর সামাজিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত। পারিবারিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান ডালিয়া-নুসরাত মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। হাটহাজারীর মীর নওয়াবুল হক মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি তিনি। আইনজীবী হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি ও চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সদস্য; মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘সৃজন’-এর সম্পাদনা পর্ষদেও আছেন।

সূত্র: জাতীয় সংসদ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, prothomalo.com, mirhelal.com, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, bssnews.net, thedailystar.net, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২। ভুল দেখলে জানান।

জন্ম১২ আগস্ট ১৯৮২, ৪৪ বছর
জন্মস্থানচট্টগ্রাম
লিঙ্গপুরুষ
শিক্ষালিংকনস ইন, যুক্তরাজ্য (বার-অ্যাট-ল)
পেশাব্যারিস্টার (সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী)
পিতামীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন
মাতাডালিয়া নাজনীন নাছির
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ১ বার

বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রম

২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ১২ মার্চ তাঁকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও দেওয়া হয়; মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তালিকায় তিনি দুই মন্ত্রণালয়েরই প্রতিমন্ত্রী।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ভূমি প্রশাসন ও নাগরিক ভূমিসেবা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের উন্নয়ন কার্যক্রম তাঁর দায়িত্বের আওতায়। ২০২৬ সালের ১ এপ্রিল ঢাকার তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে সেবা কার্যক্রম ঘুরে দেখে তিনি সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ করে দ্রুত সেবা দেওয়ার নির্দেশ দেন; পরদিন ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বলেন, ভূমি খাতে দুর্নীতির প্রশ্নে সরকারের নীতি শূন্য সহনশীলতা। ২৭ জুন ঢাকার পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে পাহাড়ি ফল মেলা উদ্বোধন করে সেখানে পূর্ণাঙ্গ বহুমুখী কমপ্লেক্স গড়ার পরিকল্পনার কথা জানান। ৩ আগস্ট ‘সবুজ পাতা’ কর্মসূচির পর্যালোচনা সভায় পাহাড়ে অপ্রয়োজনীয় নয়, বাস্তবসম্মত প্রকল্প নেওয়ার তাগিদ দেন। ৩ সেপ্টেম্বর বান্দরবানে কৃষকদের ১৫টি পাওয়ার টিলার ও নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ করেন এবং সেখানে একটি হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন করেন।

সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, bssnews.net ১, dhakatribune.com, unb.com.bd, bssnews.net ২, bssnews.net ৩। ভুল দেখলে জানান।

নির্বাচনী এলাকা

চট্টগ্রাম-৫

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর।

নির্বাচনী এলাকার পরিচিতি

চট্টগ্রাম-৫ আসন চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম জেলায়। নির্বাচন কমিশনের সীমানা অনুযায়ী আসনটি গঠিত হাটহাজারী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে। ২০২৬ সালের জানুয়ারির হিসাবে আসনে নিবন্ধিত ভোটার ৫,০১,৯১৬ জন।

হাটহাজারী (Hathazari) উপজেলা চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার উত্তরে; আয়তন ২৪৬.৩২ বর্গকিলোমিটার। ২০২২ সালের জনশুমারিতে এর জনসংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৯৮ হাজার। একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত উপজেলাটির পশ্চিমে পাহাড় আর পূর্ব সীমা দিয়ে বয়ে গেছে হালদা নদী, যা মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র ও ‘জিন ব্যাংক’ হিসেবে পরিচিত। মানুষের আয়ের প্রধান উৎস চাকরি ও সেবা খাত, ব্যবসা, কৃষি এবং প্রবাসী আয়; ধান, সবজি ও ফলের পাশাপাশি চালকল, আটাকল ও কুটিরশিল্প আছে। এখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬), ১৮৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম (হাটহাজারী মাদ্রাসা), নাজিরহাট কলেজ ও হাটহাজারী কলেজ অবস্থিত। জোবরা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের সূচনা হয়েছিল। পঞ্চদশ শতকের আলাউল মসজিদ এবং ১৯৩০ সালে সূর্য সেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের লড়াইয়ের স্মৃতিবাহী জালালাবাদ পাহাড় এ অঞ্চলের ঐতিহাসিক নিদর্শন।

সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড হাটহাজারী মডেল থানার অধীন; ২০১১ সালের জনশুমারিতে জনসংখ্যা ছিল ২৯,২০৯, আর চৌধুরীহাট, আমান বাজার ও ফতেয়াবাদ এর পরিচিত এলাকা। ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ড বায়েজিদ বোস্তামী থানায়; আয়তন ৬.৪৮ বর্গকিলোমিটার, ২০১১ সালে জনসংখ্যা ছিল ১,০৩,৩১৪; অক্সিজেন, কুলগাঁও ও বালুছড়া এর উল্লেখযোগ্য এলাকা।

১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত হাটহাজারীকেন্দ্রিক চট্টগ্রাম-৫ আসনে টানা নির্বাচিত হন বিএনপির সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম। পরে সীমানা কয়েক দফা বদলেছে; ২০০৮ সালে এই নামের আসনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়। বর্তমান সীমানায় ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ নির্বাচিত হন, আর ২০২৬ সালে আসনটি আবার বিএনপির হাতে আসে।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ১, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ২, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, en.banglapedia.org, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ৩, উইকিপিডিয়া (বাংলা) ৪, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৩, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৪, bangla.bdnews24.com। ভুল দেখলে জানান।

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬চট্টগ্রাম-৫বর্তমান মেয়াদBNP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ১ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬প্রার্থীদের মোট ১,৯৩,৬৪৩ ভোট
  1. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনBNPবিজয়ী১,৪৭,০৫৪৭৫.৯%
  2. Md Nasir UddinBKM৪৬,৫৮৯২৪.১%
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। উৎসে ৪ জন প্রার্থীর ভোটের সংখ্যা নেই।মূল পাতা

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন

এই সদস্য সম্পর্কে সংসদ সচিবালয়ের কোনো প্রজ্ঞাপন নেই।সংসদ সচিবালয় কোনো সদস্যের নামে প্রজ্ঞাপন বা সরকারি আদেশ প্রকাশ করলে তা প্রতিদিন এখানে যুক্ত হয়।

আসন: চট্টগ্রাম-৫

আসনের পাতা →
এলাকা

(ক)হাটহাজারী উপজেলা এবং (খ)চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড ০১ ও ০২

সংসদীয় কমিটি(৩)

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

সম্পাদকের যাচাই করা ৪টি খবর

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →