মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম

মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম

Mohammad Nurul Islam

বর্তমান সদস্য, ত্রয়োদশ সংসদ

সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, মন্ত্রিসভা

পরিচিতি

মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ভোলা-৪ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী যুবদল। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি, নির্বাচনী ফলাফল, আগের মেয়াদ, সংসদীয় কমিটি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।

মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (Mohammad Nurul Islam), রাজনৈতিক অঙ্গনে যিনি নূরুল ইসলাম নয়ন নামে বেশি পরিচিত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন ও মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়নে তিনি প্রথমবারের মতো সংসদে এসেছেন।

ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই রাজনীতিক বর্তমানে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক; বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৬ সালের ৪ জুন ঘোষিত যুবদলের ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতেও তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।

শৈশব, পরিবার ও শিক্ষা

নূরুল ইসলাম নয়নের জন্ম ১৯৭১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায়। তাঁর পিতা মোহাম্মদ মহিউদ্দীন মিয়া এবং মাতা উম্মে কুলছুম। স্কুলে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে তিনি ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পান। ১৯৮৭ সালে চরফ্যাশন সরকারি টি. ব্যারেট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক জীবন

স্কুলজীবনেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন। ঢাকা কলেজ সাউথ হোস্টেল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব শুরু করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন। পরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, পাঠাগার সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

ছাত্ররাজনীতির পর যুবদলে যোগ দিয়ে তিনি সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ১৩ জুন যুবদলের আগের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর ৯ জুলাই ঘোষিত আংশিক কমিটিতে আবদুল মোনায়েম মুন্না সভাপতি এবং নয়ন সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি তাঁকে নিজ এলাকা ভোলা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেয়। প্রচারণায় তিনি চরফ্যাশন-মনপুরাকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা এবং এলাকায় শিল্পকারখানা স্থাপনে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আনার প্রতিশ্রুতি দেন। নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে তিনি জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রতি সমর্থন জানান।

২০২৬ নির্বাচন

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষরিত ফলাফল অনুযায়ী নয়ন ১,৮৯,৩৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, যা মোট বৈধ ভোটের প্রায় ৬৪ শতাংশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল পান ৮১,৪৩৭ ভোট; জয়ের ব্যবধান ১,০৭,৯১৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল মোকাররম মো. কামাল উদ্দীন পান ২৪,৯৩৫ ভোট। আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন; জাতীয় পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), আমজনতার দল এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রত্যেকে এক হাজারের কম ভোট পান। পোস্টাল ভোট গণনাকেন্দ্রসহ মোট ১৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৪টির ফল এই হিসাবে অন্তর্ভুক্ত। আসনটির ৫,০২,০০৮ জন ভোটারের মধ্যে ৩,০৩,৬০৯ জন ভোট দেন; ভোটদানের হার ছিল ৬০.৪৮ শতাংশ।

সূত্র: bssnews.net, উইকিপিডিয়া (বাংলা), deshrupantor.com, bangla.thedailystar.net, dhakatribune.com, 103.183.38.66 ১, 103.183.38.66 ২, dhakatimes24.com, jugantor.com। ভুল দেখলে জানান।

জন্ম১২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১, ৫৫ বছর
জন্মস্থানজিন্নাগড়, চরফ্যাশন, বাংলাদেশ*
লিঙ্গপুরুষ
শিক্ষাঢাকা কলেজঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়*
পেশাব্যবসায়ী*
পিতামোহাম্মদ মহিউদ্দীন মিয়া
মাতাউম্মে কুলছুম
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ১ বার

* চিহ্নিত তথ্য সদস্যের উইকিপিডিয়া নিবন্ধ থেকে নেওয়া; সংসদ বা নির্বাচন কমিশনের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। ভুল দেখলে জানান।

বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রম

২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর সংসদে গঠিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তিনি সদস্য।

ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নূরুল ইসলাম নয়ন সংসদে চরফ্যাশন ও মনপুরার মানুষের প্রতিনিধিত্ব, আইন প্রণয়নে অংশগ্রহণ এবং এলাকার সমস্যা ও উন্নয়নের বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের দায়িত্ব পালন করছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি ওই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনার কাজেও যুক্ত।

২০২৬ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চরফ্যাশন ও মনপুরার খাসজমি প্রকৃত ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে বণ্টনের প্রস্তাব তিনি সংসদে তুলেছেন। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এলাকার হাট-বাজারে অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ করা হয়েছে এবং চোরাই গবাদিপশুর কেনাবেচা ঠেকাতে পশুর হাটে নজরদারি চালু হয়েছে। নদীভাঙনকে ভোলার সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি ভাঙন রোধে স্থায়ী ও টেকসই প্রকল্পের আহ্বান জানান।

সূত্র: bssnews.net, jugantor.com। ভুল দেখলে জানান।

নির্বাচনী এলাকা

ভোলা-৪

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর।

নির্বাচনী এলাকার পরিচিতি

ভোলা-৪ জাতীয় সংসদের ১১৮ নম্বর আসন; এটি বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার দক্ষিণাংশে, বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত। নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের সীমানা নির্ধারণ অনুযায়ী মনপুরা ও চরফ্যাশন উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠিত। রিটার্নিং অফিসারের ফলাফল শিট অনুযায়ী ২০২৬ সালের নির্বাচনে এখানে ভোটার ছিলেন ৫,০২,০০৮ জন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী দুই উপজেলার মোট জনসংখ্যা ৬,০৮,৫৬২।

চরফ্যাশন উপজেলার উত্তরে লালমোহন, পূর্বে মনপুরা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। ২০২২ সালের জনশুমারিতে এর জনসংখ্যা ৫,১৮,৮১৭। তেঁতুলিয়া ও বেতুয়া নদী এবং চর কুকরি মুকরি, ঢালচর, চর নিজামসহ শতাধিক চর এ উপজেলার বৈশিষ্ট্য। কৃষিই প্রধান জীবিকা; ধান, মরিচ, ডাল, চিনাবাদাম ও সুপারির পাশাপাশি ইলিশ ও চিংড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য পণ্য। চরফ্যাশন কলেজ (১৯৬৮), চরফ্যাশন কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসা (১৯৪৫) এবং চরফ্যাশন সরকারি টি. ব্যারেট মাধ্যমিক বিদ্যালয় এখানকার পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। চরফ্যাশন পৌরসভা উপজেলার প্রধান শহর।

মনপুরা মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরে ঘেরা একটি দ্বীপ উপজেলা; এর পূর্বে নোয়াখালীর হাতিয়া। আয়তন প্রায় ৩৭৩ বর্গকিলোমিটার, চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ২০২২ সালের জনশুমারিতে জনসংখ্যা ৮৯,৭৪৫। কৃষি প্রধান জীবিকা, মাছ ধরাও গুরুত্বপূর্ণ; হাজিরহাট ও সাকুচিয়া বাজার এখানকার পরিচিত হাট। ১৯৭০ সালের নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে মনপুরায় বহু মানুষ প্রাণ হারান।

১৯৯১ সালে আসনটিতে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়, ১৯৯২ সালের উপনির্বাচনেও দলটির জাফর উল্লাহ চৌধুরী (Jafar Ullah Chowdhury) নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের জুন ও ২০০১ সালে বিএনপির নাজিম উদ্দিন আলম এবং ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (Abdullah Al Islam Jacob) আসনটির প্রতিনিধিত্ব করেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম বিজয়ী হন।

সূত্র: 103.183.38.66 ১, 103.183.38.66 ২, khoborsangjog.com, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, bn.banglapedia.org ১, bn.banglapedia.org ২, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৩, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৪, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৫। ভুল দেখলে জানান।

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬ভোলা-৪বর্তমান মেয়াদBNP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ১ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬২,৯৬,৮৮৭ ভোট, ভোট পড়েছে ৬০.৪৮%
  1. মোহাম্মদ নূরুল ইসলামBNPবিজয়ী১,৮৯,৩৫১৬৩.৮%
  2. Md Mostofa KamalBJEI৮১,৪৩৭২৭.৪%
  3. Abul Mokarram Md Kamal UddinIAB২৪,৯৩৫৮.৪%
  4. Md Mizanur RahmanJP(ERSHAD)৫৪৫০.২%
  5. Muhammad Rafiqul IslamInd২৩৫০.১%
  6. Md Abul KalamNDM২০৮০.১%
  7. Md Jalal Uddin RumiAmjanatar Dol১৭৬০.১%
উৎস: নির্বাচন কমিশনের ফলাফল শিট। রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল শিট (বার্তা প্রেরণ শিট)। আগে এখানে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের হিসাব দেখানো হচ্ছিল, যা এই শিটের সঙ্গে মেলেনি।ফলাফল শিট

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন(৪)

জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম (১১৮ ভোলা-৪)১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF
জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম (১১৮ ভোলা-৪)১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF
জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ১১৮ ভোলা-৪৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF
জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম২১ মে ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF

আসন: ভোলা-৪

আসনের পাতা →
এলাকা

(ক)মনপুরা এবং(খ) চরফ্যাশন উপজেলা

সংসদীয় কমিটি(১)

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →