মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
জহির উদ্দিন স্বপন

জহির উদ্দিন স্বপন

Zahir uddin Swapon

বর্তমান সদস্য, ত্রয়োদশ সংসদরাজনৈতিক উপদেষ্টামোট ৩ বার নির্বাচিত

সরকারি পদ সর্বশেষ যাচাই: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, মন্ত্রিসভা

পরিচিতি

জহির উদ্দিন স্বপন বরিশাল-১ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সংসদ সদস্য। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি, নির্বাচনী ফলাফল, আগের মেয়াদ, সংসদীয় কমিটি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।

জহির উদ্দিন স্বপন (Zahir Uddin Swapan) বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) রাজনৈতিক উপদেষ্টা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) এই নেতা ২০২৬ সালে তৃতীয়বারের মতো সংসদে এসেছেন।

ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা স্বপন দীর্ঘদিন বিএনপির গণমাধ্যম, গবেষণা ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে ছিলেন; দলের মিডিয়া সেলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিত।

শৈশব, পরিবার ও শিক্ষা

১৯৬০ সালের ২৯ জুন বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সরিকল গ্রামে তাঁর জন্ম। বাবা এ কে মহিউদ্দিন, মা নুরজাহান বেগম। ১৯৭৫ সালে খুলনার সেন্ট জোসেফস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি মাধ্যমিক পাস করেন। খুলনার সরকারি ব্রজলাল কলেজে পড়ার সময় কলেজ ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

রাজনৈতিক জীবন

ছাত্রজীবনে বামপন্থী ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হয়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি হন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন, যে আন্দোলনে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের (Hussain Muhammad Ershad) সরকারের পতন ঘটে। আন্তর্জাতিক যুব ও ছাত্র সম্মেলনেও তিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৯৩ সালে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক এবং সহ-দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির কমিউনিকেশন সেলের প্রধান সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশনের (বিএনআরসি) পরিচালকও ছিলেন। ২০২৪ সালে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদে অন্তর্ভুক্ত হন।

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন; সেই সংসদ ছিল স্বল্পমেয়াদি। ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে তিনি ৮১,৭৯১ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে (Abul Hasanat Abdullah) ১৪,০৩১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন এবং জুন ১৯৯৬-এ হাতছাড়া হওয়া আসনটি আবার বিএনপির ঘরে ফেরে। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি সরকারি হিসাব সম্পর্কিত কমিটি এবং সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী হলেও তিনি জয়ী হননি। বিরোধী দলে থাকার বছরগুলোতে ২০২৩ সালের নভেম্বরে তিনি ঢাকার গুলশান থেকে গ্রেপ্তার হন।

২০২৬ নির্বাচন

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ভোট পড়ে প্রায় ৬১ শতাংশ। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ১,০০,৫৫২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. কামরুল ইসলাম খান (Md Kamrul Islam Khan) পান ৪৬,২৬৩ ভোট; ব্যবধান ৫৪,২৮৯ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুস সোবহান (Abdus Sobhan) পান ৪৪,১৮৮ ভোট। এ জয়ে তিনি তৃতীয়বার সংসদ সদস্য হন।

উল্লেখযোগ্য কাজ ও অবদান

সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দুবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আইনপ্রণেতাদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক পার্লামেন্টারিয়ানস ফর গ্লোবাল অ্যাকশনের (Parliamentarians for Global Action) এশিয়া অঞ্চলের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। দলের ভেতরে মিডিয়া সেল গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে বিএনপির গণমাধ্যম-যোগাযোগকে একটি সাংগঠনিক কাঠামো দেওয়ায় তাঁর ভূমিকা রয়েছে।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, prothomalo.com ১, observerbd.com, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, prothomalo.com ২, en.prothomalo.com, tbsnews.net, bangla.thedailystar.net, dhakatribune.com, dailyinqilab.com, khoborsangjog.com। ভুল দেখলে জানান।

জন্ম২৯ জুন ১৯৬০, ৬৬ বছর
জন্মস্থানসরিকল গ্রাম, গৌরনদী, বরিশাল*
লিঙ্গপুরুষ
শিক্ষাসেন্ট জোসেফস উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা (মাধ্যমিক, ১৯৭৫)সরকারি ব্রজলাল কলেজঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর)
পিতাএ,কে মহিউদ্দিন
মাতানুরজাহান বেগম
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ৩ বার

* চিহ্নিত তথ্য সদস্যের উইকিপিডিয়া নিবন্ধ থেকে নেওয়া; সংসদ বা নির্বাচন কমিশনের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। ভুল দেখলে জানান।

বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রম

২০২৬ সালের ২১ আগস্ট থেকে তিনি মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা। ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদ তাঁকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার পদটি রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ অনুযায়ী সৃষ্ট; দায়িত্বকালে তিনি মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পান। পাশাপাশি সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কাজ তদারকি করেন।

এর আগে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ছিলেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে দায়িত্ব নিয়ে দেশে সাংবাদিকতার জন্য ভয়হীন পরিবেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন। ১৫ মার্চ জানান, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, বেতন কাঠামো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি রোডম্যাপ তৈরি হচ্ছে। ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে বলেন, বিনা অপরাধে কোনো সাংবাদিক কারাগারে থাকবে না; গণমাধ্যম কমিশন গঠনের আগে বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের নিয়ে একটি পরামর্শক কমিটি হবে।

রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে ৫ সেপ্টেম্বর এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, সংসদ কার্যকর থাকা অবস্থায় লংমার্চের মতো রাজপথের কর্মসূচি জন-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।

সূত্র: dhakatribune.com ১, bangla.thedailystar.net ১, khoborsangjog.com, bdnews24.com, dhakatribune.com ২, prothomalo.com ১, bangla.thedailystar.net ২, prothomalo.com ২। ভুল দেখলে জানান।

নির্বাচনী এলাকা

বরিশাল-১

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর।

নির্বাচনী এলাকার পরিচিতি

বরিশাল-১ বরিশাল বিভাগের বরিশাল জেলার একটি সংসদীয় আসন, জাতীয় সংসদের ১১৯ নম্বর আসন। নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের সীমানা নির্ধারণ অনুযায়ী আসনটি গঠিত (ক) গৌরনদী এবং (খ) আগৈলঝাড়া উপজেলা নিয়ে; অর্থাৎ গৌরনদী পৌরসভা এবং দুই উপজেলার মোট ১২টি ইউনিয়ন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে এখানে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন প্রায় ৩ লাখ ২৮ হাজার, ভোটকেন্দ্র ১২৯টি। ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশাল বিভাগের প্রবেশদ্বার হিসেবে এলাকাটি পরিচিত।

গৌরনদী উপজেলা আসনের উত্তর-পূর্ব অংশে; পৌরসভা ছাড়াও বার্থী, বাটাজোর, চাঁদশী, খাঞ্জাপুর, মাহিলাড়া, নলচিড়া ও সরিকল ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ২০২২ সালের জনশুমারিতে এর জনসংখ্যা ২,০৫,৮৭৮। আড়িয়াল খাঁ এখানকার প্রধান নদী। প্রায় অর্ধেক পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস কৃষি; ধান, গম, আলু, পান ও সবজি প্রধান ফসল। কসবার ষোড়শ শতকের প্রাচীন মসজিদ, টরকী ও মাহিলাড়ার হাট, কসবার গরুর হাট এবং ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত গৌরনদী কলেজ এখানকার পরিচিত স্থান।

আগৈলঝাড়া উপজেলা (আয়তন প্রায় ১৫৫ বর্গকিলোমিটার) গৌরনদীর পশ্চিমে, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া-সংলগ্ন। একসময় গৌরনদীর অংশ এই এলাকা ১৯৮৩ সালে উপজেলা হয়। বাগধা, বাকাল, গৈলা, রাজিহার ও রত্নপুর ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত উপজেলার জনসংখ্যা ২০২২ সালের জনশুমারিতে ১,৫৬,৪২৩। কৃষিই প্রধান জীবিকা। মধ্যযুগের কবি বিজয় গুপ্তের প্রতিষ্ঠিত বলে পরিচিত ফুল্লশ্রীর মনসা মন্দির, ১৮৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত গৈলা উচ্চ বিদ্যালয় ও গৈলার পুরোনো দুর্গ এখানকার উল্লেখযোগ্য স্থান।

১৯৯১ সালে আসনটিতে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি ও ২০০১ সালে বিএনপি এবং জুন ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ আসনটি পায়। ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি আসনটি পুনরুদ্ধার করে। এ হিসাব প্রতিটি নির্বাচনের সময়কার সীমানা অনুযায়ী।

সূত্র: itvbd.com, উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৩, bn.banglapedia.org ১, bn.banglapedia.org ২। ভুল দেখলে জানান।

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬বরিশাল-১বর্তমান মেয়াদBNP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ৩ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন; আগের ২টি মেয়াদের বিস্তারিত সংসদের তথ্যভান্ডারে পাওয়া যায়নি। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬প্রার্থীদের মোট ১,৯৯,৫৮৫ ভোট
  1. জহির উদ্দিন স্বপনBNPবিজয়ী১,০০,৫৫২৫০.৪%
  2. Md Kamrul Islam KhanBJEI৪৬,২৬৩২৩.২%
  3. Abdus SobhanInd৪৪,১৮৮২২.১%
  4. Md Rasel SardarIAB৬,৮৪৬৩.৪%
  5. Cherniabat Sekandar AliJP(ERSHAD)১,৭৩৬০.৯%
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি।মূল পাতা

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন

এই সদস্য সম্পর্কে সংসদ সচিবালয়ের কোনো প্রজ্ঞাপন নেই।সংসদ সচিবালয় কোনো সদস্যের নামে প্রজ্ঞাপন বা সরকারি আদেশ প্রকাশ করলে তা প্রতিদিন এখানে যুক্ত হয়।

আসন: বরিশাল-১

আসনের পাতা →
এলাকা

(ক) গৌরনদী এবং (খ)আগৈলঝাড়া উপজেলা

সংসদীয় কমিটি(১)

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

সম্পাদকের যাচাই করা ২টি খবর

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →