মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
খুলনা বিভাগ

সাতক্ষীরা জেলা

Satkhira · ৪টি সংসদীয় আসন · ৭টি উপজেলা। প্রতিটি আসনের বর্তমান সদস্য, সংসদের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী।

আসন৪
উপজেলা৭
দল১

সাতক্ষীরা জেলা পরিচিতি

সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।

নামকরণ

প্রাচীনকালে এই জেলাকে বাগড়ী, ব্যাঘ্রতট, সমতট, যশোর, বুড়ন প্রভৃতি নামে অভিহিত করা হতো। অবশ্য এ জেলার নামকরণের পেছনে অনেক মত প্রচলিত আছে। প্রথম ও প্রধান মতটি হলো চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময় নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের এক কর্মচারী বিষুরাম চক্রবর্তী নিলামে বুড়ন পরগনা ক্রয় করে তার অর্ন্তগত সাতঘরিয়া নামক গ্রামে বাড়ি তৈরী করেন। তার পূত্র প্রাণনাথ সাতঘরিয়া অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন করেন।

ইতিহাস

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিমে পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনভূমি সুন্দরবন। বঙ্গোপসাগরের উপকূল এবং ভারতীয় সীমান্তে অবস্থিত সাতক্ষীরা নামক অঞ্চলটি মানব বসতি গড়ে ওঠার আগে ছিল একটি বিস্তীর্ণ জলাভূমি। ধারণা করা হয় সপ্তম শতাব্দিতে ভদ্রবংশীয় মহাসামন্তরা এ জনপদ শাসন করতেন। কপোতাক্ষ নদের তীরে কোঠাবাড়ি নামক স্থানে তাদের বসবাস ছিলো। ভদ্রবংশের দুর্গা পুজা এ জনপদের প্রাচীন দুর্গাপুজা। মহিষাসুরমর্দিনীর প্রানপুরুষ বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র এ বংসের সন্তান। ১৮৬১ সালে যশোর জেলার অধীনে ৭টি থানা নিয়ে সাতক্ষীরা মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৮৬৩ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার অধীনে এই মহকুমার কার্যক্রম শুরু হয়।

অবস্থান ও আয়তন

সাতক্ষীরা জেলার উত্তরে যশোর জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে খুলনা জেলা, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। অবস্থানগত দিক দিয়ে সাতক্ষীরা জেলার অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে। উচ্চতার দিক বিবেচনা করলে এ অঞ্চল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ১৬ ফুট উচুঁতে। জেলার সীমানা যেভাবে নির্ধারিত হয়েছে তাতে উত্তর-দক্ষিণে দীর্ঘ। তবে এ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সব অংশে জনবসতি নেই। এর মধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশ বনাঞ্চল।

অর্থনীতি

ব্রিটিশ যুগ থেকেই উপঢৌকন হিসেবে চব্বিশ পরগণা লাভের পর ব্রিটিশ বেনেরা নিজ স্বার্থেই সুন্দরবনের উন্নয়ন ও এতদাঞ্চলের অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। দেখা যায়, অচিরেই নানাবিধ কৃষিপণ্য, গৃহপালিতপশু, লবণাক্ত ও মিষ্টি পানির মাছ এবং সুন্দরবনের কাঠ, মধু ও পশুর চামড়া সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার তথা সাতক্ষীরার অর্থনীতির ভিত্তি হয়ে ওঠে। ব্রিটিশ শাসনের অব্যবহিত পূর্ব যুগে অবশ্য অবিভক্ত বাংলার উপকূলীয় জেলাগুলোতে কিছু লবণ শিল্প গড়ে ওঠার সংবাদ পাওয়া যায়।

দর্শনীয় স্থান

প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনার বিচারে সাতক্ষীরার স্থান যথেষ্ট প্রসিদ্ধ। প্রধান স্থাপনা সমূহ : বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের আদি নিবাসের দুর্গা মন্দির।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, সাতক্ষীরা জেলা · CC BY-SA 4.0

সাতক্ষীরা জেলার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • এ এম রিয়াছাত আলী বিশ্বাস · সাবেক এমপি ও প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ
  • আব্দুল খালেক মন্ডল · সাবেক এমপি ও প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ
  • কাজী শামসুর রহমান · সাবেক এমপি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজ সেবক
  • অমৃতা খান · অভিনেত্রী
  • মোহাম্মদ রফি খান · জাতীয় অধ্যাপক ও বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
  • শেখ আব্দুর রশীদ · মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
  • শেখ ইউসুফ হারুন · সরকারি কর্মকর্তা
  • পচাব্দী গাজী · বিশ্ব বিখ্যাত বাঘ শিকারী
  • আজিজুন্নেসা খাতুন · প্রথম মুসলিম মহিলা কবি
  • মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী · লেখক ও কবি
  • সিকান্দার আবু জাফর · বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক
  • বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র · নাট্যকার,খ্যাতনামা বেতার সম্প্রচারক

জেলার মানচিত্র

সাতক্ষীরা জেলা

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর। ৪টি আসন; এলাকায় চাপ দিলে সেই আসনের পাতা।

আসন ও সংসদ সদস্য

সাতক্ষীরা জেলা খুলনা বিভাগের একটি জেলা, জাতীয় সংসদে যার ৪টি আসন: সাতক্ষীরা-১ (কলারোয়া ও তালা উপজেলা), সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ও দেবহাটা উপজেলা), সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ উপজেলা ও আশাশুনি উপজেলা) ও সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর উপজেলা)। ত্রয়োদশ সংসদে সবগুলো আসনই জামায়াতে ইসলামীর। দ্বাদশ সংসদে (২০২৪) এই আসনগুলো ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৩টি ও জাতীয় পার্টির ১টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →