মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
মোঃ নাহিদ ইসলাম

মোঃ নাহিদ ইসলাম

Md. Nahid Islam

পরিচিতি

মোঃ নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক। এই পাতায় তাঁর পরিচিতি, নির্বাচনী ফলাফল, আগের মেয়াদ, সংসদীয় কমিটি ও যোগাযোগের তথ্য রয়েছে।

মোঃ নাহিদ ইসলাম (Nahid Islam) ঢাকা-১১ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য, সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (National Citizen Party, এনসিপি) আহ্বায়ক। এটি তাঁর প্রথম সংসদীয় মেয়াদ।

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হিসেবে তিনি জাতীয় পরিচিতি পান। পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি নতুন দল গঠনের নেতৃত্ব দেন।

শৈশব, পরিবার ও শিক্ষা

১৯৯৮ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর জন্ম। বাবা বদরুল ইসলাম প্রমির (Badrul Islam Promir) একজন শিক্ষক, মা মমতাজ নাহার (Mumtaz Nahar) গৃহিণী। তাঁর এক ছোট ভাই আছেন।

২০১৪ সালে দক্ষিণ বনশ্রী মডেল হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং ২০১৬ সালে সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়ে ২০২২ সালে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেন। স্নাতক পর্যায়ে তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের ব্যর্থতার কারণ।

রাজনৈতিক জীবন

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে, ২০১৭ সালে, তিনি সুন্দরবনের কাছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে যুক্ত হন। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে অংশ নেন এবং ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থী হন। ২০২৩ সালে আখতার হোসেন (Akhter Hossen) ও সহপাঠীদের সঙ্গে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি গড়ে তোলেন এবং সংগঠনটির সদস্যসচিব ছিলেন।

২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন। জুলাইয়ে তাঁকে তুলে নেওয়া হয় এবং পরে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়। ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সমাবেশে তিনি নয় দফার বদলে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেন এবং পরদিন থেকে সর্বাত্মক অসহযোগের ডাক দেন।

৮ আগস্ট ২০২৪ তিনি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের (Muhammad Yunus) নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ১৬ আগস্ট থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেন। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি উপদেষ্টার পদ ছাড়েন। ২৮ ফেব্রুয়ারি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক হিসেবে তিনি দলের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

২০২৬ নির্বাচন

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে দশজন প্রার্থী ছিলেন। শাপলা কলি প্রতীকে নাহিদ ইসলাম পান ৯৩,৮৭২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম (M A Quayum) পান ৯১,৮৩৩ ভোট। ব্যবধান ছিল ২,০৩৯ ভোট।

উল্লেখযোগ্য কাজ ও অবদান

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা হিসেবে সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে, ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট, তিনি ইন্টারনেট অধিকারকে মানবাধিকার বলে উল্লেখ করেন এবং জানান, ইন্টারনেট বন্ধ করে রাখা আর চলবে না। সেদিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের পর আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে ইন্টারনেট বন্ধের কারণ খুঁজতে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।

২০২৪ সালের অক্টোবরে মার্কিন সাময়িকী টাইম (TIME) বিশ্বের উদীয়মান নেতৃত্বের তালিকা ‘টাইম ১০০ নেক্সট’-এ তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করে।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (বাংলা), উইকিপিডিয়া (ইংরেজি), dhakatribune.com ১, thefinancialexpress.com.bd, stratnewsglobal.com, unb.com.bd ১, dhakatribune.com ২, tbsnews.net, dhakatribune.com ৩, unb.com.bd ২, bangla.thedailystar.net, en.prothomalo.com ১, dhakatribune.com ৪, today.thefinancialexpress.com.bd, en.prothomalo.com ২। ভুল দেখলে জানান।

জন্ম২৮ এপ্রিল ১৯৯৮, ২৮ বছর
জন্মস্থানঢাকা
লিঙ্গপুরুষ
শিক্ষাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক সম্মান)সরকারি বিজ্ঞান কলেজদক্ষিণ বনশ্রী মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
পিতাবদরুল ইসলাম প্রমির
মাতামমতাজ নাহার
বর্তমান মেয়াদ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০৩১
সংসদ সদস্য নির্বাচিতমোট ১ বার

বর্তমান দায়িত্ব ও কার্যক্রম

২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের দিনই জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোটের সংসদীয় দলের সভায় তিনি বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মনোনীত হন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের কাজ সংসদে বিরোধী সদস্যদের উপস্থিতি, বিতর্কে অংশগ্রহণ ও ভোটে জোটের অবস্থানের সমন্বয় করা এবং সংসদীয় কার্যক্রমে বিরোধী পক্ষকে সংগঠিত রাখা।

২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল পাসের পর তিনি জাদুঘরের পরিচালনা বোর্ডে বিশেষজ্ঞের বদলে মন্ত্রীকে সভাপতি করার সংশোধনীর বিরোধিতা করেন এবং তা প্রত্যাহারের দাবি জানান। ১৮ জুন বাজেট অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি ঋণখেলাপি সংসদ সদস্যদের প্রসঙ্গ সংসদেই তোলার পক্ষে যুক্তি দেন। ২৭ আগস্ট তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে বিরোধী সদস্যদের ওয়াকআউটের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি গণভোটের রায় বাস্তবায়নে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানান। ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপির মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (ইংরেজি), observerbd.com, ittefaq.com.bd, dailyinqilab.com, en.prothomalo.com। ভুল দেখলে জানান।

নির্বাচনী এলাকা

ঢাকা-১১

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর।

নির্বাচনী এলাকার পরিচিতি

ঢাকা-১১ (Dhaka-11) জাতীয় সংসদের ১৮৪ নম্বর আসন, ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলায় রাজধানীর পূর্বাংশে। নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের সীমানা নির্ধারণ অনুযায়ী আসনটি গঠিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (Dhaka North City Corporation) ২১, ২২, ২৩, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে। আগের সীমানায় ২১ থেকে ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সঙ্গে বাড্ডা, বেরাইদ, ভাটারা ও সাঁতারকুল ইউনিয়নের নাম ছিল; ২০১৬ সালে এসব এলাকা সিটি কর্পোরেশনে যুক্ত হয়। এলাকাটি মূলত রামপুরা, বাড্ডা ও ভাটারা থানা এবং হাতিরঝিল থানার একাংশ নিয়ে। ২০২৬ সালের নির্বাচনে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ৪,৩৯,০৭৮ জন।

২০২২ সালের জনশুমারিতে বাড্ডা থানার জনসংখ্যা ৩,৭৫,৬০৪, ভাটারা থানার ৩,২৪,৩০৪ এবং রামপুরা থানার ১,৬০,৮১৪; থানাগুলোর সব অংশ অবশ্য এই আসনে পড়ে না। প্রগতি সরণি ও রামপুরা সড়কের দুই পাশে বিস্তৃত বাড্ডার মধ্যে মেরুল বাড্ডা, উত্তর বাড্ডা ও শাহজাদপুর; এ থানা এলাকায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, আর বেরাইদে আছে মোগল আমলের কয়েকটি মসজিদ। রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয় এবং বনশ্রী ও আফতাবনগর আবাসিক এলাকা; রামপুরা খাল পূর্ব ঢাকার পানিনিষ্কাশনের প্রধান পথ। ভাটারার মধ্য দিয়ে গেছে প্রগতি সরণি ও রূপগঞ্জের সঙ্গে সংযোগকারী মাদানী অ্যাভিনিউ; নূরেরচালা ও কালাচাঁদপুর এ থানার এলাকা। ঘনবসতিপূর্ণ এই আসনে চাকরিজীবী মধ্যবিত্ত, ছোট ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের বাস।

২০০৮ সালের সীমানা পুনর্নির্ধারণে আসনটির এলাকা বদলায়; তার আগে একই নামের আসনে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি এবং ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়। ২০০৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত চারটি নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেতেন: আসাদুজ্জামান খান, দুবার এ কে এম রহমতুল্লাহ এবং মো. ওয়াকিল উদ্দিন। এসব ফল আগের সীমানায়; ২০২৬ সালে বর্তমান সীমানায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নাহিদ ইসলাম জয়ী হন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ১, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ২, bangla.thedailystar.net, tbsnews.net, citypopulation.de, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৩, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৪, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৫, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৬, উইকিপিডিয়া (ইংরেজি) ৭। ভুল দেখলে জানান।

সংসদে মেয়াদ

ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬ঢাকা-১১বর্তমান মেয়াদNCP

সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী তিনি মোট ১ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সেখানে ৪র্থ, ৫ম ও ৭ম থেকে ১২শ সংসদের রেকর্ড আছে; ১ম থেকে ৩য় ও ৬ষ্ঠ সংসদের তালিকা নেই, তাই তার আগের মেয়াদ থাকলে এখানে দেখা যাবে না।

২০২৬ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট

আসনের সব ফল →
ত্রয়োদশ সংসদ, ২০২৬প্রার্থীদের মোট ১,৯২,৮৫৩ ভোট
  1. মোঃ নাহিদ ইসলামNCPবিজয়ী৯৩,৮৭২৪৮.৭%
  2. M A QuayumBNP৯১,৮৩৩৪৭.৬%
  3. Sheikh Md. Fazle Bari MasudIAB৪,৩৭৫২.৩%
  4. Shamim AhmedJP(ERSHAD)১,০৪৮০.৫%
  5. Kohinoor Akhter BithiInd৭৯৪০.৪%
  6. Md. Zakir HossainBRP২৮৩০.১%
  7. Md. Mizanur RahmanNPP২৪১০.১%
  8. Kazi Md. ShahidullahBSM১৯৬০.১%
  9. Md. Abdul KaderGF১৩০০.১%
  10. Md. Arifur RahmanGOP৮১০.০%
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। নির্বাচন কমিশনের গেজেটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি। উইকিপিডিয়াতেও বিজয়ীর ভোট একই।মূল পাতা

সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপন(৪)

জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম, ১৮৪ ঢাকা-১১১৪ অক্টোবর ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF
জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম, ১৮৪ ঢাকা-১১২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF
জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম, ১৮৪ ঢাকা-১১ (যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর)২৪ আগস্ট ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF
জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম১৮ মে ২০২৬, অনাপত্তিপত্রPDF

আসন: ঢাকা-১১

আসনের পাতা →
এলাকা

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নম্বর- ২১, ২২, ২৩, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২

সংসদীয় কমিটি(৪)

সংবাদ ও ভিডিও

সংবাদ ও ভিডিও আনা হচ্ছে…

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →