মূল বিষয়ে যান
English
সর্বশেষ
বরিশাল বিভাগ

পটুয়াখালি জেলা

Patuakhali · ৪টি সংসদীয় আসন · ৮টি উপজেলা। প্রতিটি আসনের বর্তমান সদস্য, সংসদের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী।

আসন৪
উপজেলা৮
দল৩

পটুয়াখালি জেলা পরিচিতি

পটুয়াখালী জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল ও বাংলাদেশের প্রাচীন শহরগুলোর একটি। পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এ জেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। এখানে রয়েছে একসাথে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার অপরূপ দৃশ্য যা বিশ্বে বিরল। তাই পর্যটকদের কাছে পটুয়াখালী "সাগরকন্যা" নামে পরিচিত। উপজেলা সংখ্যানুসারে পটুয়াখালী বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা। মেঘনা নদীর অববাহিকায় পললভূমি এবং কিছু চরাঞ্চল নিয়ে এই জেলা গঠিত। পটুয়াখালী জেলা শহর একটি পূর্নাঙ্গ প্রশাসনিক অঞ্চল। এই জেলায় বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আছে প্রচুর সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।

ইতিহাস

১৬ শতকের প্রারম্ভে আজকের পটুয়াখালী অঞ্চল পর্তুগিজ জলদস্যুদের ডাকাতির অন্যতম এলাকা ছিল। আধুনিক পটুয়াখালী শহরের বয়স প্রায় দেড়শ বছর। ১৮০৭ সালে বরিশালের জজ-ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে আসেন মি. বেটি। দক্ষিণাঞ্চলের সুন্দরবন কেটে বসত বৃদ্ধি পাওয়ায় বেটির শাসন আমলেই ১৮১২ সালে পটুয়াখালীকে নিয়ে গঠন করা হয় মির্জাগঞ্জ থানা। পরবর্তীতে দেওয়ানী শাসন প্রসারের জন্য ১৮১৭ সালে বরিশালে স্থাপন করা হয় পৃথক ৪টি মুন্সেফী চৌকি। এগুলো হলো বাউফল, কাউখালী, মেহেন্দিগঞ্জ ও কোটের হাট চৌকি। বাউফল চৌকির প্রথম মুন্সেফ হয়ে আসেন ব্রজমোহন দত্ত। ১৮৬০ সালের ১ জুন বাউফল থেকে চৌকি স্থানান্তর করা হয় লাউকাঠীতে।

অবস্থান ও আয়তন

পটুয়াখালী জেলার উত্তরে বরিশাল জেলা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ভোলা জেলা, পশ্চিমে বরগুনা জেলা। জেলার আয়তন প্রায় ৩,২২১.৩১ বর্গ কিলোমিটার।

জনসংখ্যা

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী পটুয়াখালী জেলার মোট জনসংখ্যা ১৫,৩৫,৮৫৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭,৫৩,৪৪১ জন এবং মহিলা ৭,৮২,৪১৩ জন।

অর্থনীতি

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ। নদী বিধৌত পটুয়াখালী জেলার খাল-বিল, পুকুর, নালা, নিম্নভূমি গুলো মৎস্য সম্পদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই জেলার নদী মোহনাগুলো ইলিশ মাছের জন্য বিখ্যাত। পটুয়াখালী জেলার বনাঞ্চলের পরিমাণ খুবই কম। বনাঞ্চলের উল্লেখযোগ্য গাছের নাম কেওড়া, গেওয়া, কাকড়া, বাবুল, শিরিষ, করাই, হিজল, গাব, গোলপাতা ইত্যাদি। পটুয়াখালীতে ব্যবসা-বাণিজ্য দিন দিন বিকশিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, পটুয়াখালী জেলা · CC BY-SA 4.0

পটুয়াখালি জেলার দর্শনীয় স্থান

  • কুয়াকাটা
  • কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান
  • কুয়াকাটা ইকোপার্ক
  • কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
  • শ্রীরামপুর জমিদার বাড়ি
  • মহেন্দ্র রায়ের জমিদার বাড়ি
  • কানাই - বলাই দীঘি
  • কাজলার চর
  • ফাতরার চর
  • কুয়াকাটা বৌদ্ধ মন্দির
  • হযরত ইয়ার উদ্দিন খলিফার মাজার
  • পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

পটুয়াখালি জেলার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • আবুল কাশেম ফজলুল হক · রাজনীতিবিদ
  • মোহাম্মদ কেরামত আলী · রাজনীতিবিদ
  • রফিকুল ইসলাম · শহীদ বুদ্ধিজীবী ও অধ্যাপক
  • দীনেশচন্দ্র সেন · বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী
  • আবদুস ছত্তার মল্লিক · মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক, রাজনীতিবিদ
  • লাবণ্যপ্রভা দত্ত · ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী
  • এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ · সাবেক সেনা কর্মকর্তা
  • এম. এ. মুনএম · সাবেক সেনাবাহিনীর মেজর ও সাবেক মন্ত্রী
  • মনোরঞ্জন সিকদার · ১৯৫৬ সনে প্রাদেশিক মন্ত্রীসভার স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • নুরুল হক নুর · সাবেক ডাকসুর ভিপি এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি
  • আব্দুল বাতেন তালুকদার · রাজনীতিবিদ
  • মাহবুবুর রহমান তালুকদার · রাজনীতিবিদ

জেলার মানচিত্র

পটুয়াখালি জেলা

সীমানা নির্বাচন কমিশনের আসনের বর্ণনা থেকে; উপজেলা OpenStreetMap, সিটি কর্পোরেশন OCHA আর সিটি ওয়ার্ড geoBoundaries (BBS, ২০১৫)-এর মানচিত্রে; আনুমানিক। পটভূমির মানচিত্র OpenStreetMap-এর। ৪টি আসন; এলাকায় চাপ দিলে সেই আসনের পাতা।

আসন ও সংসদ সদস্য

পটুয়াখালি জেলা বরিশাল বিভাগের একটি জেলা, জাতীয় সংসদে যার ৪টি আসন: পটুয়াখালি-১ (পটুয়াখালী সদর,মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলা), পটুয়াখালি-২ (বাউফল উপজেলা), পটুয়াখালি-৩ (দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা) ও পটুয়াখালি-৪ (কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা)। ত্রয়োদশ সংসদে আসনগুলোর মধ্যে বিএনপির ২টি, জামায়াতে ইসলামীর ১টি ও গণঅধিকার পরিষদের ১টি। দ্বাদশ সংসদে (২০২৪) এই আসনগুলো ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৩টি ও জাতীয় পার্টির ১টি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | হালনাগাদ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কোথা থেকে তথ্য আসে

সদস্য, আসন, কমিটি ও অধিবেশন আসে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট থেকে; ভোটার সংখ্যা নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিসভা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে। ভোটের ফল ও জীবনীর সূত্র আলাদা করে প্রতিটি পাতায় লেখা।

সব সূত্র দেখুন →

কত দিন পরপর হালনাগাদ

প্রতি রাতে পুরো সাইট সংসদের তথ্যভান্ডার থেকে নতুন করে তৈরি হয়। নতুন প্রজ্ঞাপন, বৈঠকের কার্যসূচি বা কমিটির পরিবর্তন পরদিনের মধ্যে যুক্ত হয়; সংবাদ শিরোনাম দিনে কয়েকবার।

পদ্ধতি →

ভুল পেলে

প্রতিটি সদস্যের পাতায় “সংশোধন জানান” বোতাম আছে। সূত্রসহ জানালে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই করে ঠিক করা হয়; সদস্যের দপ্তর নিজের পাতাও হালনাগাদ করাতে পারেন।

যোগাযোগ →